কামিনী - পর্ব ৭৫ - মম সাহা - ধারাবাহিক গল্প

কামিনী - মম সাহা
          হ্যাভেনের শেষকার্য করে হেমলক যখন প্রাসাদে ফিরল অদ্ভুত ভাবে সে আবিষ্কার করল প্রাসাদে রানি নেই। নিজের কক্ষ, রানির শয়ন কক্ষ, স্নানাগার হতে শুরু করে পুরো প্রাসাদ সে খুঁজলো নিখুঁত ভাবে, হন্যে হয়ে। 
 রানিকে যখন চারপাশে কোথাও পেলো না তখন তার ভেতর কিছুটা ভয় জেগে উঠেছিলো। কিন্তু শেষমেশ প্রাসাদের এক দাসী যখন জানালো যে, হ্যাব্রো এসেছিলো এর পরপরই রানি বেরিয়ে গিয়েছেন তার সঙ্গে তখন কিছুটা ধাতস্থ হয়। 
তবে মনে যে একটু আঘাত পায়নি তেমনটা নয়। খারাপ লেগেছিলো তার। রানির কি একটু তর সয়নি? সে আসা অব্দি নাহয় অপেক্ষাই করতেন! কিংবা ছোটো একটি পত্র কি লিখে যাওয়া যেতো না? মনে মনে জেগে উঠা অভিমানকে সে মনেই দাবিয়ে ফেলে। সে তো রানিকে চেনে, জানে, বুঝে। তাহলে ঐ মানুষটার প্রতি কীসের অভিমান করবে? রানি এরকম জেনেই তো সে ভালোবেসে ছিল তাহলে কেন কষ্ট পাবে মনে মনে? কেনই-বা অবচেতন মন দোষারোপ করবে তার রানিকে? 

 ক্যামিলাসের প্রাসাদ জুড়ে মানুষ হারানোর নিরবতা তেমন দেখা যাচ্ছে না। রাজাদের বেঁচে থাকাও রাজকীয় হয়, মৃত্যুর পর শোকটাও রাজকীয় হয় বলেই হয়তো প্রাসাদ জুড়ে গমগমে ভাব। বিভিন্ন রাজ্যের রাজা, মন্ত্রী, রানি দিয়ে পরিপূর্ণ। প্রাসাদে একশো ছাপ্পান্নটি কক্ষের ভেতর মানুষ কিলবিল করছে। খালি নেই একটি কক্ষও। দাসদাসীদের বেজায় ব্যস্ততা। 

হেমলক সদ্য স্নান করে এসেছে। শরীরটা কিছুটা হালকা লাগছে তার স্নান করায়। গা থেকে যেন ঝরে গিয়েছে সারা দিনের ক্লান্তি 
আজকাল রানির প্রতি সে যেন বেশিই দুর্বল হয়ে গিয়েছে। একটা মুহূর্ত না দেখলে ফাঁকা ফাঁকা লাগে বুকের কোথাও। মনে হয় শরীরের কোনো একটা অংশ হারিয়ে ফেলেছে। 
 সেদিন রাত্রির বিশেষ মুহূর্তগুলো রানি কী অনায়াসেই ভুলে গেলেন! নাকি মনে রেখে তা প্রকাশ করতে চান না? কই, হেমলক তো ভুলতে পারে না সেই একান্ত, ব্যক্তিগত মুহূর্তগুলোকে! মনে হয় তার জীবনের সবচেয়ে আনন্দময় একটি অংশ কেবল বার বার চোখের পাতায় ভেসে বেড়াচ্ছে। কিন্তু রানি সে বিষয়ে কোনো কথা এ অব্দি বলেননি। না দোষারোপ করেছেন না উল্লাস। এমন ভাব করছেন যেন তার জীবন থেকে মুছে গিয়েছে সেই রাত। কেন? কঠিন হয়েছেন বলে কি কপোতীদের সবচেয়ে আবেগঘন মুহূর্তকেও ভুলে যেতে হবে? রানি সামনে থাকলে সে অবশ্যই অবশ্যই আজ এই প্রশ্নগুলো করতো। কিন্তু দুর্ভাগ্য দেখো! সেই মানুষ নেই সামনে।

 “আসবো?”
 রিনরিনে, মেয়েলি কণ্ঠস্বর পেতেই হেমলকের ভাবনার সুতো ছিঁড়ল। ঘাড় ঘুরিয়ে পেছন ঘুরতে দেখল দরজায় দাঁড়িয়ে আছে মৃন্ময়ী। রাজকন্যার সমস্ত রূপ, লাবণ্য, সৌন্দর্যতা তার দেহের ভাঁজে ভাঁজে প্রকটিত। 

হেমলক আন্তরিকতার সঙ্গে দু'পা এগিয়ে অনুমতি দিয়ে বলল, “অবশ্যই, অবশ্যই। আসুন।”

 মৃন্ময়ী ভেতরে প্রবেশ করল। কক্ষটি দেখলো মণি ঘুরিয়ে, ঘুরিয়ে। 
“আসার সময় শুনলাম রানি নাকি প্রাসাদে নেই। কোথাও গিয়েছেন?”

  “হ্যাঁ। এ্যাজেলিয়া রাজ্যে। বোধহয় কোনো বিশেষ দরকার পড়েছে। দুটো রাজ্য একা চালানো চারটিখানি কথা তো নয়।”

“তা অবশ্য ঠিক। তিনি বলেই পারছেন। অন্য কেউ হলে এমনটা পারতেন কি-না সন্দেহ।”

 হেমলক মৃন্ময়ীর কথায় হেসে মাথা নাড়িয়ে সম্মতি দিলো। মৃন্ময়ীর কথা বলার আগ্রহ স্পষ্ট। তাই পুনরায় বলল,
“রানির কক্ষ এটি তাই না? ভীষণ সুন্দর এবং অন্যরকম। উনার রুচির প্রশংসা করতে হয়। তা বসতে বলবেন না? দাঁড়িয়ে আছিতো!”

  হেমলক এতক্ষণ মাথা নাড়ছিলো মৃন্ময়ীর কথার তালে তালে। শেষের বাক্যটিতে সেই মাথা নাড়ানো থামিয়ে দিলো। এক পলক মৃন্ময়ীর দিকে তাকিয়ে লম্বা একটি হাসি ঝুলিয়ে বলল,
“এটা তো রানির কক্ষ, আমি বসতে বলি কীভাবে? তার কক্ষে অন্য কাউকে বসতে বলার অধিকার আমার নেই। আমার কক্ষ হলে বলতে পারতাম।”
 মৃন্ময়ীর হয়তো লজ্জা পাওয়া উচিত ছিলো এমন না বোধক কথায়। কিন্তু সে লজ্জা পেলো না। বরং হেমলকের আচরণে আরও বেশি মুগ্ধ হলো। কোনো পুরুষ তার নারীর কক্ষকেও এত বিশেষ শ্রদ্ধায় রাখতে পারে? হেমলককে যতই দেখছে ততই অবাক হচ্ছে সে। 

 “রানিকে এত ভালোবাসা দিচ্ছেন! আমার তো দেখেই প্রাণ জুড়োয়। এমন মানুষকে রানি প্রত্যাখ্যান করতে পারেন বারে বারে, আমি হলে হয়তো কখনো পারতাম না।”

“সেজন্যই তো সে রানি কামিনীকাঞ্চন। যেমন নারী পৃথিবীতে দু'টো নেই। যেমন রানিও পৃথিবীতে দু’জন নেই।” কথা বলতে বলতে হেমলকের মুখে উজ্জ্বল রশ্মি ছড়িয়ে পড়ছে। দেখেই বোঝা যাচ্ছে রানির ব্যাপারে বলতে গিয়ে গর্বে তার বুক ফুলে যাচ্ছে। 
 কোনো পুরুষ তার স্ত্রী’কে নিয়ে এতটা গর্বিত বোধ করে তা হেমলককে না দেখলে জানতোই না মৃন্ময়ী। যেখানে পুরুষ জাতির বেশিরভাগই বিশ্বাস করেন নারীরা তাদের চেয়ে দুর্বল সেখানে হেমলক যেন রানি কামিনীকাঞ্চনকে উঁচুতে তুলতে পারলেই খুশি। 

—————

এ্যাজেলিয়া রাজ্যে এসে পৌঁছেছেন রানি অপরাহ্নের মাঝামাঝিতে। এসে প্রথমেই রাজ্যের সমস্ত হালচালে ব্যস্ত হয়েছেন। তার প্রজারা ঠিকঠাক আছে কি-না, প্রজাদের কোনো সমস্যা হচ্ছে কি-না সমস্ত তদারকি করলেন পুরো অপরাহ্ন জুড়ে। রাজ্যে নতুন করে মন্ত্রীপরিষদ পরিবর্তনের ছক আঁকলেন। কাকে কাকে রাখা হবে আর কাকেই বা বিদেয় দেওয়া হবে তা নিয়ে বৈঠক বসালেন প্রায় ঘন্টাখানেক। বিশ্রাম নেওয়ার সুযোগটাও পাননি। সকল কাজ মিটিয়ে অতঃপর ছুটলেন মুখ্য কাজে। যে কাজটির জন্য এসেছিলেন। 

  এ্যাজেলিয়ার প্রাসাদের পেছনে একটি ছোটো আকারের বাগান রয়েছে। রানি আর হ্যাব্রো সেই বাগানের ভেতরই এসে দাঁড়িয়েছেন। আপাতত দেখলে মনে হবে এটি একটি সাধারণ বাগান অথচ এটি মোটেও সাধারণ বাগান নয়। এই বাগানের মাটির নিচেই রয়েছে আরেকটি বড়ো বন্দী কক্ষ। যাদেরকে কঠিন থেকে কঠিন শাস্তি দেওয়ার কথা ভাবেন রানি, তাদেরকেই রাখা হয় এখানে। আলো, বাতাস সীমিত থাকে সেই কক্ষে। কয়েকদিন থাকলে যে-কেউ এমনিতেই মারা যাবে। তবে এই কক্ষ সম্বন্ধে খুব কম মানুষই অবগত। আর কম মানুষের ভেতর রানি আর হ্যাব্রোই আছে। এছাড়া কেউই জানে না সেসব নিয়ে। 

  হ্যাভেনের হাতে মশাল। দু'জনে খুবই সাবধানে প্রবেশ করল সেই কক্ষটিতে। মাঝারি আকারের কক্ষ। প্রবেশ করতেই শুনতে পেলো কেউ গোঙাচ্ছে অনবরত। সেই গোঙানির শব্দ সুচালো ভাবে কানে এসে লাগার মতন।
 রানি ধীরে হাঁটতে হাঁটতে বললেন, “ওকে কিছু খেতে দিয়েছো কি?”

হ্যাব্রো তার হাতের মশালটা আরও শক্ত-পোক্ত ভাবে আঁকড়ে ধরেই বলল, “না।”

 রানি আর কিছু জিজ্ঞেস না করেই গিয়ে দাঁড়ালেন মাঝারি ঘরটির একদম কিনারার দিকে। শেকল দিয়ে সেখানে বেঁধে রাখা হয়েছে শশীপূর্ণাকে। 

  মশালের মৃদু আলো শশীপূর্ণার চোখে-মুখে ছড়িয়ে পড়তেই তার নিভু নিভু চোখের পাতা খুলল সামান্য। কণ্ঠস্বর আধভাঙ্গা। বহু কষ্টে শব্দ বের হলো,
“কে?”

  চোখের ঘোলাটে দৃষ্টি ধীরে ধীরে যখন পরিষ্কার হতে লাগলো তখন সামনে থাকা রানির মুখটি স্পষ্ট হলো। রানি দাঁড়িয়ে আছেন নির্লিপ্ত ভঙ্গিতে। তাকিয়েই আছেন ওর দিকে। 
রানিকে দেখে ভীতি বাড়ল শশীর। আকুতি মিনতি করতে লাগল তৎক্ষণাৎ, 
“আমি, আমি কিছু করিনি। বিশ্বাস করুন। আমি কিছুই জানি না।”

  প্রাণ যেতে বসেছে বলেই এত আকুতি মিনতি। এত ভয়ভীতি। একটিবার যামিনীর সঙ্গ দেওয়ার সময় এই ভয়টা কাজ করলেই হয়তো সবকিছুর ভিন্ন চিত্র থাকত। এ সকলই মনে মনে ভেবে হাসলেন রানি। 
“কিছুই করোনি? সত্যি সত্যি করোনি?”

 “একটু জল চাই। বড্ড তৃষ্ণা পেয়েছে। একটু জল দিবেন?”

“দেওয়া হবে অবশ্যই। তবে যা জানো তা সকলই শুরু থেকে শেষ অব্দি বলতে হবে।” হ্যাব্রোর শক্তপোক্ত কণ্ঠ। যেন একফোঁটাও মায়া নেই তার এই মেয়েটির প্রতি। এত রুক্ষ বলার ভঙ্গি। অবশ্য হবে না-ই বা কেন? রানিকে কষ্ট দেওয়ার পেছনে এই মেয়েটারও তো কম অবদান ছিলো না। 

  রানি রয়েসয়ে হ্যাব্রোকে ইশারা করে বললেন, “জল আনো। জল দাও ওকে। ও পান করুক। আমার শত্রুকে আমি এইভাবে শাস্তি দিই না তুমি তো জানোই?”

 “কিন্তু ওকে দেওয়া উচিত। ও প্রাপ্য।”

 “আমি বোধহয় তোমার চেয়েও ভালো জানি কোনটা কার প্রাপ্য কোনটা কার প্রাপ্য নয়।” 
রানির ইঙ্গিতপূর্ণ কথার বিপরীতে কথা বলার আস্পর্ধা হ্যাব্রোর নেই। সে রানিকে দাঁড় করিয়েই দূরে রাখা পাত্রটি থেকে জল নিয়ে এলো। রানি হাত বাড়িয়ে নিলেন সেই জলের পাত্রটি।

 শশীপূর্ণার প্রাণ যায় যায় অবস্থা। রানি তার মুখের সামনে জলের পাত্রটি ধরতেই ঢকঢক করে সম্পূর্ণ জল পান করে নিলো মেয়েটা এক নিমিষেই।
হাঁফাচ্ছে অনবরত। একসাথে এতটা জল পান করায় শ্বাস আটকে আসছিলো। রানি ওর সামনেই একটি উঁচু পাথরে বসলেন। যেন তিনি অগাধ সময় দিয়েছেন শশীপূর্ণার হাতে। কোনো চিৎকার নেই, চেঁচামেচি নেই, রাগ দেখানো নেই। 

  শশী রীতিমতো ভয়ে কাঁপছে। রানি চিৎকার করলে কিংবা আঘাত করলেও বোধহয় তার এতটা ভয় লাগতো না যতটা না রানির নিশ্চুপ থাকাতে হচ্ছে। 
সে পুনরায় ক্ষমা চাইল, “আমি কিছুই জানতাম না। আমি এমনটা করতেও চাইনি।”

 “তাহলে করেছিলে কেন?”

“আমাকে, আমাকে বলা হয়েছিলো এজন্য, এজন্য করেছি আমি।”

বলে থামল। একটু দম নিয়ে পুনরায় বলল,
 “ঐ যখন, যখন আপনি যামিনীকে শাস্তির জন্য বনবাস দিলেন। তখনই বলা হয়েছিল আমাকে এই রাজ্যে আসতে। ওকে কুমন্ত্রণা দিতে। সাহায্য করতে। আর আপনাদের ছোঁয়াচে অসুখটি কতটা তীব্রতর হয়ে ছড়াচ্ছে তা জানাতে।”

 “এত ভণিতা না করে প্রসঙ্গে কথা বলো। কে বলেছিলো এসব? কে করিয়েছিল? যামিনীও কি তার কথামতো করেছিলো?”

শশীর ভাব-গতিক দেখে বোঝা যাচ্ছিলো ওর কথা বলতে কষ্ট হচ্ছে। তবুও টেনে টেনে বলল,
“যামিনী সব কথামতো করেনি বোধহয়। কিছুটা করেছিলো। বাকিটা ও নিজের মনমর্জি মাফিক করেছিলো। আমি, আমিতো প্রথমে ভেবেছিলাম ও আপনার সামনে ঘুরে বেড়ানো সহজসরল মেয়েটি। যে কিচ্ছু জানে না, বুঝে না। কিন্তু ওর সাথে থাকতে থাকতে আমি জানতে পারলাম ও কত বড়ো নরখাদক, পিশাচিনী!”

 ভ্রু কুঞ্চিত হলো এবার রানির। হ্যাব্রো সন্দিহান স্বরে বলল, “কী বলছো? কথা গুছিয়ে বলো। আমাদের বোধগম্য হচ্ছে না।”

“আপনাদের রা.. রাজ্যে যেই শিশুগুলোর হত্যা হলো না? সেগুলো ও-ই করেছিলো। কেবল আর কেবলমাত্র সেনাপতি হ্যাব্রোকে পাওয়ার লোভে। আমি যখন এটা আঁচ করতে পারি তখন থেকেই তাকে ভয় পাওয়া শুরু করি।”

 শশীর অসুস্থ কণ্ঠে বলা কথাগুলো মস্তিষ্কে তীব্র ভাবে বোধহয় কম্পন তৈরি করল হ্যাব্রোর। বিস্মিত হয়ে জিজ্ঞেস করল, “কী? কী?”

 “হ্যাঁ, এটাই সত্যি। বনবাসে পাঠানোর পরেই ওর বদল ঘটেছিলো। তাই তো ওখান থেকে এসে প্রতি অমাবস্যাতে যামিনী এই নবজাতকের হৃৎপিণ্ড নিয়ে তন্ত্রমন্ত্র করতো। ও ওর সৌন্দর্যতা বাঁচিয়ে রাখতে চেয়েছিলো এসব করে। এমনকি ও ঐ তাজা গরম…

 কথা আর এগুতে পারল না শশীপূর্ণা। আচমকা হড়বড়িয়ে বমি করে ভাসিয়ে দিলো চারপাশটা। এরপর জ্ঞান হারিয়ে ফেলল। 
গা গুলিয়ে এলো হ্যাব্রোরও। নিজের কানকে তার বিশ্বাস হচ্ছে না। শরীরটা ঘুরছে মনে হচ্ছে। 
 রানি সেই অবস্থা অনুধাবন করেই বেরিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন। হ্যাব্রোকে আদেশ করেই বেরিয়ে গেলেন সেই বদ্ধ জায়গাটি থেকে। তারও গা কেমন করছে। ঘৃণায় রি রি করছে শরীরটা। বাহিরে আসতে পেরে যেন শরীর বাঁচল। 
 হ্যাব্রো আর একটাও কথা বলল না। চোখমুখ তার শক্ত হয়ে থাকল কেবল। 

উনারা দু'জনেই বাগান ছেড়ে বের হতেই চমকে গেলেন। বাগানের বাহিরে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেলো হেমলককে। 
·
·
·
চলবে……………………………………………………

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

WhatsApp