হাওয়াই মিঠাই - পর্ব ০৭ - তামান্না ইসলাম শিমলা - ধারাবাহিক গল্প

হাওয়াই মিঠাই - তামান্না ইসলাম শিমলা
          রোদের তীব্রতা এখন কম, পরিবেশটাও শান্ত। মৃদু শীতল বাতাস প্রবাহিত হচ্ছে চারদিকে, ছড়িয়ে পরছে সতেজতা।

দুপুরের খাওয়া দাওয়া শেষ করে তনয়া আর তানহা তৈরি হয়ে আসে, তনয়া গোলাপী রঙের একটি জামদানী থ্রি পিস পরেছে, চোখে হালকা কাজল ও ঠোঁটে লিপবাম। ওদিকে তানহা, সেতো সেজেগুজে নায়িকা হয়ে এসেছো। নীল রঙের গাউন, সাথে নিজের মতো সেজেছে। অবশ্য বেশ লাগছে তাকে।

“এবার বের হওয়া উচিত, যেতে দেরি হবে তো!”

শিহাবের কথা শুনে তনয়া আর তানহা পেছনে তাকায়, সাধারণের মাঝেও শিহাবকে দারুণ লাগছে। এটাই ছেলেদের বৈশিষ্ট্য, এদের আলাদা কোনো সাজসজ্জার প্রয়োজন পরে না। 
চোখে সানগ্লাস, পরনে সাদা টি শার্টের উপর কালো রঙের শার্ট। শ্যামলা বরণে ধারুণ মানিয়েছে তাকে!

“কি হলো চল!”

তনয়ার ধ্যান ভাঙে, মাথে নেড়ে বের হয়। আর তানহা তো সেই থেকে ছবি তুলেই যাচ্ছে!
তনয়া তানহাকে ডেকে বাড়ির বাইরে চলে আসে, শিহাব একটি অটো দাঁড় করিয়ে উঠে বসে, সাথে তানহা তনয়াও!

তনয়া মাথা নিচু করে কিছু একটা ভাবছে, সে তো লক্ষই করছে না এক জোরা চোখ তার দিকে অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে। এক মুগ্ধতার আবেশ নিজের দৃষ্টির তৃষ্ণা মেটাচ্ছে, বিষয়টা আর কারো চোখে না পরলেও তানহার চোখে পরে। চট করে বলে উঠে,

“শিহাব ভাই, তুমি আপুর দিকে এভাবে তাকিয়ে আছো কেন?”

শিহাব হকচকিয়ে যায়, দ্রুত চোখ সড়িয়ে নেয়, ওদিকে তনয়াও ভ্রু কুঁচকে তানহা ও শিহাবের দিকে তাকায়। তানহা এখনো প্রশ্ন বোধক দৃষ্টিতে শিহাবের দিকে তাকিয়ে আছে, সেটা বুঝতে পেরে শিহাব বলে,

“ এমনি, আসলে দুজনকেই সুন্দর লাগছে! তাই দেখছিলাম!”

তনয়া তা নিয়ে ভাবল না, বাইরের দিকে তাকিয়ে চারদিক দেখতে লাগল। তবে তানহার মন খুঁত খুত করছে, কিছু একটা ভেবে ঠোঁট ভেঙায়। বিড়বিড় করে,

“ খায় না সুজি, সবকিছুই বুঝি। হুহ!”

—————

ছাদের এককোণে বসে আছে তেহরাব আর ইউসুফ, দুজনের চায়ের কাপ। আনমনে কিছু একটা ভাবছে তেহরাব, তা লক্ষ করছে বেশ খানিক্ষণ ধরে ইউসুফ। ছেলেটা দিন দিন কেমন হয়ে যাচ্ছে! ছোট থেকেই বাপ ছেলে বন্ধুর মতো, নিজেদের সব কথা একে অপর জানে৷ এমনকি তনয়ার কথাও ইউসুফ জানে, আর ইউসুফের বিষয়েও তেহরাব সব জানে। সালমার সাথে ইউসুফের সম্পর্ক ছিল, তবে তেহরাবের দাদা এটা মেনে নেন নি উল্টো সালমার বাবাকে অপমান করেছিলেন। এই অপমানটা সালমা মেনে নিতে পারেনি, তাই সে ইউসুফের সাথে সব সম্পর্ক ভেঙে নিজের বাবার পছন্দ মতো ছেলের সাথে বিয়ে করে। আর ইউসুফ? তারও বা কি করার ছিল, পরবর্তীতে সেও বাবার পছন্দে বিয়ে করে। এখন অবশ্য দুজনাই সুখী! তবে সে চায় না তার মতো তার ছেলেও কষ্ট পাক, সে বাবা হিসেবে তার ছেলেকে সবটুকু দিয়ে ভরসা জোগায়, সঙ্গ দেয়!

চায়ের কাপটা টি টেবিলে রাখে ইউসুফ, তেহরাবকে উদ্দেশ্য করে বলে,

“ মাস্টার বাড়ি গিয়েছিলে?”

তেহরাব আগের ন্যায় বসে থাকে, দৃষ্টিও অন্যদিকে। শুধু ছোট্ট করে জবাব দেয়,

“হুম!”

ইউসুফ মৃদু দীর্ঘশ্বাস ফেলে, নিজেও তাকায় আকাশের দিকে,

“ কাল থেকে মিলে যাবে, দায়িত্ব বুঝে নিতে হবে তো। কেউ তো বেকার ছেলের হাতে নিজের মেয়ে তুলে দেবে না, সে যতই বড়লোক বাবার ছেলে হোক!”

তেহরাব একই ভাবে হাসে, আড়ঁ চোখে তাকায় নিজের বাবার দিকে। মনটা তার অস্থির লাগছে, শান্ত করতে পারছে না কিছুতেই!

“বাবা তনয়া আমাকে বুঝতেই চাইছে না, আমি তো গোটা দুনিয়ার সাথে লড়াই করে ওকে নিজের করতে পারব। কিন্তু ও তো নিজেই আমাকে চায় না, কি করব আমি?”

ইউসুফ স্মিত হাসে, তাকায় তেহরাবের দিকে। তার ছেলেটার মনের অবস্থা সে ভালো মতোই বুঝতে পারছে, এমন দহনে তো সেও পুড়েছিল। বড় করে শ্বাস নেই সে, তেহরাবের কাঁধে হাত রেখে বলে,

“কারো মনের বিরুদ্ধে গিয়ে তো তাকে নিজের করতে পারবে না, ভালোবাসলে তার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানাতে হয়। তাকে তার মতো ভালো থাকতে দিতে হয়, যেমনটা আমি দিয়েছি!”

তেহরাব বিরক্ত হয়, চোখ মুখ কুঁচকে পকেট থেকে সিগারেট বের করে আগুন জ্বালায়। ইউসুফ কিছু বলার আগেই তেহরাব সিগারেটে বড় করে টান দিয়ে বলে,

“ তুমি মহান, তাই নিজের বাবার ও সালমা আন্টির অমত শুনে নিজেকে সড়িয়ে নিয়েছিলে। কিন্তু আমি এত মহান হয় বাবা, আর না আমি হতে পারব!”

“তাহলে কি করতে চাও?”

“আমার করতে চাই, সারাজীবনের জন্য আমার, হোক সেটা তনয়ার ইচ্ছেতে বা ইচ্ছার বিরুদ্ধে।”

“ এমন কিছু কর না যাতে তনয়ার মনে তোমার সম্পর্কে ভালোবাসার বদলে ঘৃণা জন্মায়!”

তেহরাব হাসে, সাথে আবারো সিগারেটে টান দেয়, নিজের ঘাড়ে হাত দিয়ে ইউসুফের দিকে তাকিয়ে ফিচেল হেসে বলে,

“ঘৃণা করুক আর ভালোবাসুক, তনয়া আমার।”

ইউসুফ দীর্ঘশ্বাস ফেলে, এই ছেলেকে সে বোঝাতে পারবে না। ছেলের জেদদা বারংবার একটু বেশিই, বুঝিয়ে লাভ হয়নি কখনোই। 

“তুমি কাজের দিকে মনোযোগ দাও, আসি মাস্টারের সাথে কথা বলব।”

“উহু!”

ইউসুফ ভ্রু কুঁচকায়,

“উহু মানে?”

তেহরাব সিগারেটটা ফেলে দেয়,

“উহু মানে এখন নয়, সামনে পরিক্ষা৷ পরিক্ষাটা ভালো মতো হয়ে যাক তারপর!”

ইউসুফ কিছু বলে না, উঠে চলে যায়। তেহরাবও কিছু বলে না, চেয়ারে হেলান দিয়ে বসে থাকে। তার এলোকেশীকে যে তার চাই, যেকোনো মুল্যেই!

ফোনের রিংটোন কানে বাজতেই ধ্যান ভাঙে তেহরাবের, সোজা হয়ে বসে পকেট থেকে ফোনটা বের করে। এমন সময় ফাহিমের কল আশা করেনি সে, ভ্রু কুঁচকে কল রিসিভ করে। ওপাশ থেকে ফাহিমের বলা কথায় তেহরাবের শান্ত মস্তিষ্ক দ্রুত দগদগ করে জ্বলে উঠে, চোখ মুখ রক্তবর্ণ ধারন করে। নিজে কিছু না বলে কল কেটে দেয়, দাঁতে দাঁত চেপে বিড়বিড় করে,

“আগের বার হাত পা ভাঙায় শিক্ষা হয়নি জানো*য়ারের, এবার প্রানে মেরে ফেলব!”

বলেই গটগট করে চলে যায় তেহরাব, গন্তব্য তা তো আমাদের অজানা!

—————

বালিয়াটি জমিদার বাড়ি খুব বিখ্যাত একটি জায়গা, অনেক মানুষের সমাগম। সবাই ছবি তুলতে ব্যস্ত, তানহাও তার ব্যতিক্রম নয়। তাকে ছবি তুলে দিচ্ছে শিহাব, আর তনয়া দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে তার বোনের রং ডং দেখছে।

“দেখি দেখি কেমন হয়েছে?”

তানহা দৌড়ে এসে ফোনটা নিজের কাছে নিয়ে নেয়, দেখতে থাকে নিজের ছবি গুলো। তানহার বাচ্চামো আচরণে হেসে উঠে শিহাব, তনয়াও মুচকি হাসে।

হঠাৎ শিহাবের চোখ পরে তনয়ার হাসি মাখা মুখের দিকে,কি স্নিগ্ধ সেই হাসি। যেন ভোরের শিশিরে ধোয়া সোনালি রোদ, তনয়ার ঠোঁটের কোণে লুকিয়ে থাকা মৃদু কম্পন, স্নিগ্ধ, কোমল, এবং হৃদয়ের গভীরে স্পর্শ করা সেই হাসি যা একবার দেখলে মনে হয়, পুরো পৃথিবী থমকে গেছে। যেমন থমকে গেছে শিহাব, হ্যাঁ সে পুরোপুরি অতল সমুদ্রে হাবুডুবু খাচ্ছে, হারিয়ে গেছে অন্য এক পৃথিবীতে। এ মেয়ে তার হৃদস্পন্দন বাড়িয়ে দিতে সক্ষম, তার ভেতরে ঝড় তুলতে সক্ষম।

তনয়ার চোখে চোখ পরতেই নিজের চোখ সড়িয়ে নেই শিহাব,সে চায় না তনয়া বুঝে ফেলুক তার অনুভূতি।
নিজেকে স্বাভাবিক করে বলে,

“তুমি ছবি তুলবে না?”

তনয়া শিহাবের দিকে তাকায়, মৃদু হেসে বলে,

“আমার এসব ভালো লাগে না, আপনারাই তুলুন!”

শিহাব জোর করল না, জোরাজুরি বিষয়টা তার অপছন্দ বললেই চলে।

“আপু চল ওদিকটাই যায়, ওখানে ফুলগাছ আছে!”

অতঃপর তিনজনায় পা বাড়ায় সেদিকে, তবে সামনে যেতেই দেখতে পায় কিছুটা গোলযোগ। কোনো ঝামেলা হচ্ছে বোধহয়, শিহাব তনয়া আর তানহাকে এখানেই থাকতে বলে,

“তোমরা দাঁড়াও আমি দেখে আসছি!”

বলেই শিহাব সামনের দিকে এগিয়ে যায়, তানহা নিজের কৌতুহল দমাতে না পেরে সেদিকে পা বাড়ায়। তনয়া আটকানোর আগেই তানহা চলে যায়, তনয়া এখন কি করবে? কিছু না ভেবে পেয়ে নিজেও পা বাড়াল, লোকজন ঠেলে সামনে যেতেই দেখতে পেল সামনে চলমান দৃশ্য। আপনা আপনি দুপা পিছিয়ে গেল সে, দুহাত দিয়ে মুখ চেপে ধরল।

তার চোখের সামনে তেহরাব ইচ্ছে মতো একটি ছেলেকে মারছে, মারছে বললে ভুল হবে খুব বাজে ভাবে মারছে। এভাবে মারলে তো ছেলেটা মরে যাবে, তনয়া কিছু বলতে যাবে তার আগেই কারো শক্ত হাতে টান পরে তার হাতে। চলে আসে বাইরে, সামনে তাকাতেই দেখে শিহাব, সে রাগী দৃষ্টিতে তাকিয়ে তনয়াকে কিছুটা রাগ দেখিয়েই বলে,

“বললাম না ওখানে দাঁড়াতে, এখানে কি করছ? আর তানহা কোথায়?”

তনয়া ভীরের দিকে ইশারা করে, শিহাব তনয়ার হাতে ছেড়ে দেয়। খুঁজতে শুরু করে তানহাকে, তনয়া আবারে ভীর ঠেলে সামনে যায়। দেখে তানহা বিপরীত পাশে দাঁড়িয়ে মিটমিট করে হাসছে আর তাদের মারপিট দেখছে। তনয়া দ্রুত তানহার হাতে ধরে বাইরে নিয়ে আসতে চাই, কিন্তু তানহা চিৎকার করে বলে,

“আরে আরে দাঁড়া, একটু দেখতে দে। দেখ না তেহরাব ভাই কীভাবে মারছে ছেলেটাকে, একদম হিরোর মতো লাগছে!”

তনয়ার শরীর কাঁপছে, সে ভয়ার্ত দৃষ্টিতে তেহরাবের দিকে তাকাল। তেহরাবের কোনো হুশ নেই, তার পুরো মনোযোগ ও দৃষ্টি সামনের ছেলের দিকে যাকে সে মারছে। এতটা খারাপ ভাবে সে ছেলেটাকে মারছে, না কেউ তাকে আটকাচ্ছে।

হঠাৎ তনয়ার কি হলো কে জানে, কান্নামিশ্রিত কন্ঠে কিছুটা তেজ নিয়ে উচ্চস্বরে বলে উঠে,

“মানুষের জীবনের মূল্য যাদের কাছে নেই তারা কখনো ভালো মানুষ হতে পারে না।”

অতিপরিচিত কন্ঠস্বর কানে আসতেই তেহরাবের হাত দুটো থেমে যায়, ততক্ষণে ছেলেটা বেহুশ। তেহরাব দ্রুত উঠে দাঁড়িয়ে পেছনে তাকায়, অতঃপর দেখে তনয়া তার দিকেই তাকিয়ে আছে। এখানে তনয়াকে কিছুতে আশা করেনি সে, আর এমর একটা পরিস্থিতিতে তো আরও নয়!
 
তনয়ার চোখে তেহরাব স্পষ্ট ঘৃণা দেখতে পাচ্ছে, তেহরাব কিছু বলার জন্য এগিয়ে আসতে নিলে তনয়া তার দিক থেকে চোখ সড়িয়ে নেই। তানহাকে নিয়ে দ্রুত বেরিয়ে যায় লোকজনের মাঝখান থেকে।

তেহরাবও এত মানুষের সামনে কোনো সিন ক্রিয়েট করতে চায় না, তাই সে আর তনয়ার পিছু নিল না। তনয়া ভুল বুঝেছে এটা সে পরে ঠিক করে নেবে কিন্তু এই মুহূর্তে তাকে আরেক জায়গায় যেতে হবে। সে কোনো ভুল করছে না, এটা আর তনয়া না জানলেও এখানে উপস্থিত বেশিরভাগ মানুষই জানে। তনয়াকে সে পরে সামলে নেবে। 

তেহরাব আর তার সাঙ্গপাঙ্গরা প্রস্থান করে, আর যাওয়ার আগে দুজনকে বলে যায় ছেলেটাকে হাসপাতালে ভর্তি করতে। 

এদিকে তনয়া তানহাকে নিয়ে একদম গেটের বাইরে চলে আসে, নিজের চোখের পানি মুছে অটোতে উঠে বসে। তানহা অবাক দৃষ্টিতে তনয়ার দিকে তাকিয়ে নিজেও উঠে বসে, গাড়ি চলতে থাকে। এদিকে তানহা বুঝতে পারল না তনয়ার কি হয়েছে, হঠাৎ করে সে কান্না কেন করছে? আজব তো!

তনয়ান তানহার দৃষ্টি অনুসরণ করে বুঝতে পারে সে তার দিকেই তাকিয়ে আছে, এতে তার মেজাজটা খারাপ হলো।

“তাকিয়ে আছিস কেন? কি দরকার ছিল ওখানে যাওয়ার? বাড়ি চল তুই, আর কোনোদিন শুধু ঘুরতে যাব বলিস!”

তনয়ার রাগ হাচ্ছে, কষ্ট হচ্ছে, যা এই মুহুর্তে তানহার উপর তুলছে। তানহা মুখ গোমড়া করে বসে থাকে, গিয়েছে তাই কি হয়েছে? ওখানে তো কত মানুষই ছিল, আর এখানে আপুর কান্না করারই বা কি হয়েছে? যেন তার প্রেমিককে মারছিল!
তানহা ভেংচি কাটে নিজ মনে, আর কিছু বলে না। তনয়া শিহাবকে কল করে, শিহাব রিসিভ করতেই বলে উঠে,

“কোথায় তোমরা? আমি কখন থেকে খুঁজছি!”

তনয়া বড় করে শ্বাস নিয়ে স্বাভাবিক কন্ঠে বলে,

“আমরা গাড়িতে আছি, বাড়ি যাচ্ছি। চিন্তা করবেন না, ঠিক আছি আমরা। আপনিও চলে আসুন!”

এটুকু বলে শিহাবকে আর কিছু বলার সুযোগ দিল না, কল কেটে দিল।

চোখের সামনে শুধু একটা দৃশ্য ভাসছে তার, কীভাবে ছেলেটাকে তেহরাব মারছিল। এতদির শুধু শুনেই এসেছিল আজ প্রমানও পেয়ে গেল, এমন একটা নির্দয় মানুষকে সে ভালোবাসতে পারে না। যে কিনা আরেকটি মানুষকে রক্তাক্ত করতে পারে সে কখনোই কাউকে ভালোবাসতে পারে না!
·
·
·
চলবে……………………………………………………

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

WhatsApp