পদ্মজা - পর্ব ১৭ - ইলমা বেহরোজ - ধারাবাহিক গল্প

পদ্মজা - ইলমা বেহরোজ
          নৌকা ছাড়ার পূর্বে আকাশের কালো মেঘের ঘনঘটা চোখে পড়ল। তার কিছুক্ষণ পর হঠাৎই নেমে এলো ঝমঝমিয়ে বৃষ্টি। খোলা নৌকা হওয়াতে চোখের পলকে কাকভেজা হয়ে গেল যাত্রী পাঁচজন। ভিজলেন না হেমলতা, মোর্শেদ ছাতা ধরে রেখেছেন। বজ্রপাতের সঙ্গে সঙ্গে হেমলতার আত্মা দুলে উঠছে, খচখচ করছে মনটা। তিনি জলের দিকে স্থির চোখে তাকিয়ে রইলেন। জলে বৃষ্টির ফোঁটা পড়ার সঙ্গেই বলের মতো একদলা পানি লাফিয়ে উঠছে। তারপর ছোট্ট ছাতার মতো আকৃতি নিয়ে চারপাশে প্রসারিত হয়ে হাওরে মিলিয়ে যাচ্ছে। দেখতে সুন্দর! কিন্তু সেই সৌন্দর্য মনে ধরছে না। অজানা আশঙ্কায় তিক্ত অনুভূতি হচ্ছে। মোর্শেদ গলা খাকারি দিয়ে হেমলতার দৃষ্টি আকর্ষণ করার চেষ্টা করে বললেন, ‘কিছু খাইবা?’

হেমলতা নিরুত্তর। মোর্শেদ শুষ্ক হাসি হেসে বললেন, ‘আর কিছুক্ষণ। আইয়াই পড়ছি।’

হেমলতা কিছু বললেন না। নিরুত্তরে রইলেন। বৃষ্টির স্পর্শ নিয়ে আসা হাওরের হিমেল বাতাসের ছোঁয়া লাগছে চোখেমুখে। হাওরের ঘোর লাগা বৃষ্টি দেখতে দেখতে চোখে এসে ভর করে ঘুম। হেমলতা নিকাব খুলে চোখেমুখে পানি দিয়ে ঘুম কাটান। এরপর ক্লান্ত চোখ দুটি মেলে তাকান মোর্শেদের দিকে। মোর্শেদের হাতে হাত রেখে বললেন, ‘আমার এত খারাপ লাগছে কেন? বুক পোড়া কষ্ট হচ্ছে।’

মোর্শেদ হেমলতার কণ্ঠ শুনে সহসা উত্তর দিতে পারলেন না। চিত্ত ব্যথায় ভরে উঠল। কিছু সময় অতিবাহিত হওয়ার পর আশ্বস্ত করে বললেন, ‘আইয়া পড়ছি তো। ওই যে বাজারের ঘাট দেহা যাইতাছে।’

হেমলতা মোর্শেদের হাত ছেড়ে দূরে তাকালেন। অলন্দপুরের বাজারটা ছোটো পিঁপড়ার মতো দেখাচ্ছে। নৌকাটা বার বার দুলছে। ঝড় বইছে চারিদিকে, মনেও তো বইছে। তিনি নিজেকে শান্ত করতে চোখ বুজে বার কয়েক প্রাণভরে নিশ্বাস নিলেন। ব্যথাতুর মন আর্তনাদ করে শুধু জানতে চাইছে, আমার মেয়েগুলো কেমন আছে? কী করছে?

রীনা চুল এত শক্ত করে ধরেছে যে পদ্মজার সারা শরীর ব্যথায় বিষিয়ে উঠছে, আকুতি করেও ছাড়া পাচ্ছে না। পূর্ণা-প্রেমা খামচে ধরে রেখেছে পদ্মজাকে। কিছুতেই তারা বোনকে ছাড়বে না।

আমির ক্রোধে উন্মত্তপ্রায় হয়ে চিৎকার করে উঠল, ‘কামরুল চাচা এটা ঠিক হচ্ছে না! মেয়েগুলোর অভিশাপে পুড়ে যাবেন।’

আমিরের কথায় ক্ষণকালের জন্য কামরুল হতবুদ্ধি হয়ে গেলেন। রমিজ আলী কামরুলের নরম, নিঃশব্দ, ভয়ার্ত মুখের দিকে চেয়ে ভেতরে ভেতরে উদ্বিগ্ন হলেও তাচ্ছিল্যের ভঙ্গিতে বললেন, ‘বেশ্যাদের শাপে কেউ পুড়ে না।’

জলিল প্রেমাকে সরিয়ে নিয়েছে। দূর থেকে প্রেমার কান্না শোনা যাচ্ছে। বড়ো আপা, বড়ো আপা করে গলা ফাটিয়ে কাঁদছে। ছইদ অনেক টেনেও পূর্ণাকে সরাতে পারল না, তাই অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে পূর্ণার বুকে নোংরা হাতের দাগ বসিয়ে দিতে দ্বিধা করল না। পূর্ণা এমন ঘটনার জন্য মোটেও প্রস্তুত ছিল না। কোনো মেয়েই এমন নিচু ঘটনার সাক্ষী হতে চায় না। অকস্মাৎ এই ঘটনা কাটিয়ে ওঠার পূর্বেই একটা শক্ত হাত পায়জামার ফিতা টেনে ধরল। পূর্ণার পায়ের তলার মাটি সরে গেল। ভয়ে গলা ফাটিয়ে চিৎকার করে উঠল, ‘আপা…আপা।’

পূর্ণার আর্তনাদ পদ্মজার মস্তিষ্ক প্রখর করে তুলে। পদ্মজা মুখ তুলে পূর্ণার দিকে তাকাল। তার চেয়ে এক হাত দূরে পূর্ণা। পদ্মজার আঙুল শক্ত করে ধরে রেখেছে সে। কাছে আসতে পারছে না ছইদের জন্য। পূর্ণার কান্না দেখে পদ্মজা আতঙ্কে নীল হয়ে গেল। চারিদিকে কোলাহল। সবাই গালি দিচ্ছে মা- বাপ তুলে। কেউ বলছে না, মেয়েটা ভালো, এরকম করতেই পারে না। পূর্ণা চেঁচিয়ে যাচ্ছে। কেঁদে মাকে ডাকছে। পদ্মজা এক দৃষ্টে মানুষগুলোর দিকে তাকিয়ে রইল।

মানুষ এত নিষ্ঠুর হয়?

পূর্ণার হাত ছইদ আলগা করতেই সে ছুটে এসে জড়িয়ে ধরল পদ্মজাকে। তার পুরো শরীর কাঁপছে। হৃৎপিণ্ড এত জোরে চলছে যে অনুভব করা যাচ্ছে। পূর্ণা কাঁদতে কাঁদতে বলল, ‘আপা…আপা…কেন মেয়ে হলাম, আপা? এত কষ্ট হচ্ছে, আপা। আপা…’

পদ্মজার দুচোখ বেয়ে টুপ করে দুই ফোঁটা জল পড়ে। এক হাতে শক্ত করে পূর্ণাকে বুকের সঙ্গে চেপে ধরে।

রমিজের উসকানিতে কামরুল গলা উঁচিয়ে বললেন, ‘নটিরে বান ছইদ।’

পূর্ণার কানে কথাটা আসতেই সে আরো জোরে পদ্মজাকে জড়িয়ে ধরল। ভয়ে জড়োসড়ো হয়ে থাকা পদ্মজা হঠাৎ শান্ত হয়ে ঠান্ডা স্বরে বলল, ‘পূৰ্ণা, ছেড়ে দে আমায়।’

রীনা পদ্মজাকে চুলে ধরে টেনে নিয়ে যেতে চাইলেও পদ্মজা জায়গা থেকে এক চুলও নড়ল না। ঠায় দাঁড়িয়ে রইল। পূর্ণাকে ফিসফিসিয়ে বলল, ‘বেঁচে থাকলে সব উসুল হবে। ছেড়ে দে।’

পদ্মজার কণ্ঠে মায়ের ছায়া ছিল! পূর্ণা সঙ্গে সঙ্গে শান্ত হয়ে গেল। চোখ তুলে পদ্মজার দিকে তাকাল। পদ্মজার গাল বেয়ে রক্ত ঝরছে। ছইদ পূর্ণাকে নিতে আসলে একটি দুঃসাহসিক কাজ করে বসল সে, লাথি বসিয়ে দিল ছইদের অণ্ডকোষ বরাবর। ছইদ মাগো বলে কুকিয়ে উঠে। জলিলসহ উপস্থিত তিনজন তেড়ে আসে পদ্মজার দিকে, পূর্ণাকে ধাক্কা দিয়ে ছুঁড়ে ফেলে দূরে। অশ্রাব্য গালি দিতে দিতে কেউ পদ্মজাকে থাপ্পড় দিল, কেউ বা দিল লাথি। নির্মম দৃশ্যটি দেখে দুই তিনজন গ্রামবাসীর মনে মায়া উদয় হয়। তারা ছুটে আসে পদ্মজাকে বাঁচাতে। প্রান্ত ভয়ে চুপসে গিয়েছিল। পদ্মজাকে কাদায় ফেলে মারতে দেখে দৌড়ে আসে, জলিলের হাতে শরীরের সব শক্তি দিয়ে কামড় দেয়। জলিল প্রান্তের কান বরাবর থাপ্পড় বসাতেই প্রান্তের মাথা ভনভন করে উঠল। পরিস্থিতি বিগড়ে যেতে দেখে কামরুল হতবুদ্ধি হয়ে পড়েন। মনে মনে বেশ ভয় পান। কেশে গলা পরিষ্কার করে, দুই হাত তুলে চেঁচিয়ে বললেন, ‘তোমরা থামো, এইডা কি করতাছ? থামো কইতাছি। সবাই সইরা আসো। থামো…!’

সবকিছু থেমে গেল। পদ্মজা কাঁচুমাচু হয়ে পড়ে রইল কাদায়। নিশ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছে। নাভির নিচে একটা লাথি পড়েছে বেশ জোরে। চোখ বুজে রেখেছে। দুই হাত বুকের উপর। লম্বা-চুল কাদায় মেখে ছড়িয়ে আছে আশপাশে। যন্ত্রণায় যেন পাঁজরগুলো মড়মড় করে ভেঙে যাচ্ছে। জ্বরের তোপে জ্ঞান হারিয়েছে পূর্ণা। হেমলতার মা মনজুরা বাড়িতে ঢুকে পদ্মজাকে এভাবে পড়ে থাকতে দেখে আঁতকে উঠলেন। দৌড়ে এসে পদ্মজাকে তুলতে চাইলে কামরুল হুংকার ছাড়লেন, ‘এই ছেড়িরে ধরন যাইব না। যান এন থাইকা।’

মনজুরা পদ্মজার কামিজ ঠিক করে দিয়ে দুজন লোককে নিয়ে পূর্ণাকে তুলে ঘরে নিয়ে গেলেন। মনজুরার বুক কাঁপছে হেমলতার ভয়ে। হেমলতা বার বার বলেছিল দুই দিন তার মেয়েদের চোখের আড়াল না করতে! আর তিনি একা বাড়িতে ছেড়ে দিয়েছেন! ইচ্ছে হচ্ছে এক ছুটে কোথাও পালিয়ে যেতে। হিমেল নাক টেনে টেনে কাঁদছে। জপ করছে হেমলতার নাম। মনজুরা রেগে ধমকালেন, ‘আহ! থাম তো।’

—————

বাপের বাড়িতে কাউকে না পেয়ে হেমলতা চিন্তায় পড়ে যান।

মোর্শেদ হেমলতার দুশ্চিন্তা বুঝতে পেরে বললেন, ‘বাড়িত গিয়া বইয়া রইছে মনে হয়। আও বাড়িত যাই।’

হেমলতা মিনমিনে গলায় বললেন, ‘তাই হবে।

দুজন হেঁটে বাড়ির রাস্তায় উঠে। তখন পাশ কেটে একজন মহিলা হেঁটে যায়। কিছুটা হাঁটার পর মোর্শেদের খটকা লাগল। তিনি ঘাড় ঘুরিয়ে তাকান। মহিলাটি অনেক দূর চলে গিয়েছে। মহিলার অবয়ব দেখে মোর্শেদের বাসন্তীর কথা মনে পড়ে যায়। মনে মনে আওড়ান, বাসন্তী আইছে?’ পরপরই নিজের মনকে বুঝ দিলেন, ‘না, না হে আইব কেমনে। আর আইলেও যাইব গা ক্যান?’

তিনি আর মাথা ঘামালেন না। হেমলতার বুক দুরুদুরু করছে। ঠান্ডা বাতাস বইছে। তবুও তিনি অজানা আশঙ্কায় ঘামছেন।

তারা বাড়ির কাছাকাছি এসে মাতব্বরকে দেখতে পেল। মাতব্বরের সঙ্গে আরো দুজন ব্যক্তি। বাড়ির সামনে মানুষের ভিড়ও দেখা যাচ্ছে। হেমলতার হৃৎপিণ্ড থমকে গেল। মেরুদণ্ড বেয়ে বরফের ন্যায় ঠান্ডা কিছু একটা ছুটে গেল। তিনি নিশ্বাস আটকে রেখে ছুটতে থাকেন। পিচ্ছিল পথে পিছলা খেয়ে পড়ে যেতে গিয়েও নিজেকে সামলে নেন। হেমলতার দৌড় দেখে মোর্শেদ পিছু নেন, অবাক হয়ে প্রশ্ন করেন, ‘তুমি দৌড়তাছ ক্যান?’

হেমলতা প্রশ্নটি শুনলেন না। নিকাব বাতাসের দমকে উড়ে পড়ল দূরে। তিনি ভিড় ঠেলে বাড়িতে ঢুকলেন। সঙ্গে সঙ্গে কোলাহল বেড়ে গেল। এত ভিড়ের মাঝে একটা মেয়েকে কাদায় পড়ে থাকতে দেখে তিনি অবাক হলেন। অন্ধকারে মেয়েটিকে চিনতে বেশ অসুবিধা হচ্ছে।

তিনি আঙুল তুলে বিড়বিড় করলেন, ‘কে?’

হেমলতার প্রশ্ন কারো কান অবধি গেল না। কোত্থেকে একটি আলো এসে পড়ল পদ্মজার ওপর। সঙ্গে সঙ্গে হেমলতার চক্ষুদ্বয়ের সামনে পদ্মজার কাদা-রক্তে মাখা মুখটা ভেসে উঠল

হেমলতা গগন কাঁপিয়ে আর্ত চিৎকার করে উঠলেন, ‘পদ্ম…আমার পদ্ম।

পদ্মজার বুক ধড়াস করে উঠল! অস্তিত্ব কেঁপে উঠল। আম্মা এসেছে! তার পৃথিবী! তার শক্তি! পদ্মজা দুর্বল দুই হাতে ভর রেখে উঠে বসার চেষ্টা করল। পারল না। ভাঙা গলার জোর দিয়ে শুধু ডাকল, ‘আম্মা…আম্মা।’

হেমলতার পৃথিবী থমকে গিয়েছে। বিধ্বস্ত, পর্দাহীন, কাদা, রক্তমাখা পদ্মজাকে দেখে বিশ্বাস হচ্ছে না এটা তার মেয়ে। তিনি দ্রুত নিজের বোরখা খুলে পদ্মজাকে ঢেকে বুকের সঙ্গে জড়িয়ে ধরলেন। অসহনীয় যন্ত্রণায় যেন কলিজা বেরিয়ে আসছে তার। তার সোনার কন্যার এ কী রূপ! কে করল? কাঁপা কণ্ঠে শুধু বললেন, ‘পদ্ম…আমার পদ্ম। ‘

হেমলতার বুকে মাথা রেখে পদ্মজা হাউমাউ করে কেঁদে উঠল, ‘আম্মা…আম্মা।’

হেমলতা পদ্মজাকে আরো জোরে চেপে ধরলেন বুকের সঙ্গে। দৃষ্টি অস্থির। বুক হাপড়ের মতো ওঠানামা করছে।

মোর্শেদ বাড়িতে ঢুকে উঁচু গলায় বললেন, ‘এইহানে এত মানুষ ক্যান? মাতব্বর মিয়া আপনে এইনে ক্যান? কী অইছে?’

প্রান্ত-প্রেমা দৌড়ে এসে মোর্শেদকে জড়িয়ে ধরল। দুজন ভয়ে কাঁদছে, কান্নার শব্দ হচ্ছে না। মোর্শেদ বিস্ময়ে কিংকর্তব্যবিমূঢ়। মাতব্বর মজিদ গম্ভীর কণ্ঠে কামরুলকে প্রশ্ন করলেন, ‘মেয়েটার এই অবস্থা কারা করেছে? এটা কি নিয়মের মধ্যে পড়ে?’

কামরুল মাথা নিচু করে রেখেছেন। মিনমিনে গলায় বললেন, —আমি ছেড়িডারে মারতে কই নাই। জলিল, ছইদ আর মজনুর ছেড়ায় নিজ ইচ্ছায় মারছে।’

‘আপনি আটকালেন না?

‘আটকাইছি বইললাই মাইয়াডা বাঁইচা আছে। আর এমন নটিদের বাঁচার অধিকার নাই।’

‘থামেন মিয়া! কার কী শাস্তি হবে সেটা আমার দায়িত্ব। আপনার না। ছইদ, জলিল আর মজনুর ছেলেকে তো দেখা যাচ্ছে না। আগামীকাল তাদের আমি মাঠে দেখতে চাই।’

কামরুল মাথা নিচু করে রাখলেন। মজিদ হাওলাদার ভারি সৎ এবং নিষ্ঠাবান মানুষ। গ্রামের মানুষদের দুই হাতে আগলে রেখেছেন। পুরো অলন্দপুরের মানুষ মজিদকে ফেরেশতা-সমতুল্য ভাবে। পঁচিশ বছর ধরে অলন্দপুর সামলাচ্ছেন তিনি।

গুড়িগুড়ি বৃষ্টি পড়ছে। গাঢ় থেকে গাঢ়তর হচ্ছে অন্ধকার। হেমলতা কিছুতেই হিসেব মিলাতে পারছেন না। অনেক বছর আগের ঘটনা আর এই ঘটনা হুবহু একরকম কী করে হলো? তিনি নিজের ভেতর একটা হিংস্র পশুর উপস্থিতি অনুভব করছেন। কামরুলের মুখ থেকে শোনা তিনটা নাম মস্তিষ্কে নাড়া দিচ্ছে প্রচণ্ডভাবে!

ছইদ, জলিল আর মজনুর ছেলে!

মজিদ সবাইকে উদ্দেশ্য করে বললেন, ‘আগামীকাল সবাই স্কুল মাঠে চলে আসবেন। মিয়া মোর্শেদ, মেয়ে নিয়ে আলো ফুটতেই চলে আসবেন। এই বাড়ি পাহারায় থাকবে মদন আর আলী। আমার ছেলেকে আমি নিয়ে যাচ্ছি। ঠিক সময়ে সেও উপস্থিত থাকবে।’
·
·
·
চলবে……………………………………………………

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

WhatsApp