শুনশান রাস্তা চিরে ধীরগতিতে এগিয়ে যাচ্ছে কালো মার্সিডিজ বেঞ্জ। চারপাশে নীরবতার আধিপত্য, শুধু গাড়ির ইঞ্জিনের মৃদু শব্দটাই কানে ভেসে আসছে। জানালার কাঁচে পড়ে থাকা বিকেলের আলো মাঝে মাঝে রাহার মুখটাকেও আলতো করে ছুঁয়ে দিচ্ছে।
গাড়িটা ধীরে ধীরে আরও ভেতরের দিকে এগিয়ে গেল। রাস্তার দুই পাশে সারি সারি গাছের ছায়া পড়ে পুরো পথটাকে আরও নির্জন করে তুলেছে।
রাহা একবার চোখ তুলে বাইরে তাকাল, কিন্তু মুহূর্তেই আবার দৃষ্টি নামিয়ে নিল। বুকের ভেতর অদ্ভুত এক অস্থিরতা কাজ করছে, আর সেই নীরবতাই সেটাকে আরও ভারী করে তুলছে।
গাড়ি চলাকালীন রাহা সংকোচে মুখটা জানালার বাইরের দিকে ফিরিয়ে রেখেছে।
বারবার তার মস্তিষ্কে ভেসে উঠছিল কিছুক্ষণ আগে ঘটে যাওয়া
অভ্র সামনের দিকে তাকিয়েই হালকা বিরক্ত স্বরে বলে উঠল,
“এত কেনো ভাবতে হবে? এই ছোট্ট মাথায় এত চাপ নিচ্ছিস কেন, গাধী..!”
রাহা তৎক্ষণাৎ মুখ ঘুরিয়ে তার দিকে তাকায়।
মনে মনে ভাবছিল—লোকটা কীভাবে বুঝে যায়, সে ঠিক কী ভাবছে!
অভ্র একটু শান্ত গলায় বলল,
“তোর চেহারা দেখলেই বোঝা যায়, মাথার ভেতরে কী চলছে।”
অভ্র সামনে তাকিয়ে থাকলেও মাঝে মাঝে আয়নায় একবার করে তার দিকে চোখ বুলিয়ে নিচ্ছিল।
অভ্রের কথা শুনতেই রাহার মুখে বিস্ময়ের গভীর ছাপ ফুটে উঠল। তার চোখ দুটো একটু বড় হয়ে গেল, যেন সে ঠিক বুঝে উঠতে পারছে না—অভ্র এত সহজে কীভাবে তার অবস্থা অনুধাবন করছে। ঠোঁট হালকা ফাঁক হয়ে রইল, কিন্তু কোনো শব্দ বের হলো না। অবিশ্বাস আর অবাক হওয়ার এক মিশ্র অনুভূতি পুরো মুখে ছড়িয়ে পড়ল, আর তার দৃষ্টি স্থির হয়ে রইল অভ্রের দিকেই।
রাহা শুকনো ঢোক গিলতেই দেখতে পেল, অভ্র একটা পানির বোতল এগিয়ে দিয়ে শান্ত স্বরে বলল,
“নিশ্চয়ই তেষ্টা পেয়েছে, খেয়ে নে।”
কাঁপা হাতে রাহা বোতলটা তুলে নেয়। তাড়াহুড়ো করে ক্যাপ খুলে সে পানি খেতে শুরু করে।
মাথা সামান্য উঁচু থাকায় প্রতিটি ঢোকে তার গলার নরম রেখাটা স্পষ্ট হয়ে ওঠে, আর সেই ওঠানামা মুহূর্তটাকে আরও জীবন্ত করে তোলে। ঠোঁটের পাশ দিয়ে একটু পানি গড়িয়ে গিয়ে ঘাড় বেয়ে নিচে নামছে, যেন সে খেয়ালই করছে না।
ঠিক তখনই অভ্রের চোখ সেই দিকেই আটকে যায়।
এ দৃশ্য চোখে পড়তেই অভ্র হুটকরে স্টিয়ারিং হুইল শক্ত করে চেপে ধরে,গাড়ি ব্রেক করে দেয়। আর নিজেকে নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করছে।
অস্থিরতায় তার ঘাম ছুটে যাচ্ছে। হাসফাঁস করছে শুধু।
রাহাও হঠাৎ ব্রেক কষায় সামনের দিক ঝুঁকে যায়।
পানি খাওয়া ও থেমে যায়।
এক চুমুকে অর্ধেক পানি খেয়ে তারপর থামে।
হয়তো গাড়ি ব্রেক না করলে পুরোটাই শেষ করে ফেলত। অন্য হাত থেকে বোতলের ক্যাপ লাগানোর আগেই অভ্র ছোঁ মেরে বোতলটি ছিনিয়ে নেয় এবং রাহার ঠোঁট লাগানো স্থানে নিজের ঠোঁট লাগিয়ে বাকি পানিটুকু এক নিমিষে সাবার করে ফেলে।
রাহা বিস্ময়ে তার দিকেই তাকিয়ে আছে—অভ্র ভাই তার এটো পানি খেলো!যেন ঘটনাটা ঠিক বিশ্বাস করতে পারছে না। চোখে এখনো অবাক হওয়ার ছাপ স্পষ্ট।
বোতলটি খালি করেই মুখ ঘুরিয়ে রাহার বদন পানে তাকিয়ে বলল,
“Uff… I had vanilla-flavored water after such a long time! It tastes so different.”
(“উফফ… কতদিন পর ভ্যানিলা ফ্লেভারের পানি খেলাম! স্বাদটা একদম অন্যরকম লাগছে।” )
কথাটা শেষ করে অভ্র আবারও গাড়ি চালানোর দিকে মনোযোগ দেয়।
রাহা ধীরে ধীরে বিষয়টা উপলব্ধি করে লজ্জায় চোখ নামিয়ে সামনের দিকে দৃষ্টি স্থির করে।
—————
এতিমখানার সামনে গাড়ি থামতেই শিফা বলে উঠল,
“ঐ তো ভাইয়া আর রাহা চলে এসেছে।”
রাহা গাড়ি থেকে নামতে যেতেই অভ্র হঠাৎ বলল,
“স্টপ। নামতে বলেছি আমি?”
রাহা কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে তার দিকে তাকিয়ে রইল। মনে মনে ভাবছে—গাড়ি থেকে নামতেই বা আপত্তি কেন।
এক পা নামাতে গিয়েও থেমে যায়, আবার ভেতরে ফিরে এসে মুখ ভার করে চুপচাপ বসে পড়ে।
অভ্র পাঞ্জাবি পকেট থেকে একটা রুমাল বের করে মাথায় পেঁচিয়ে নেয়। তারপর রাহার দিকে ঘুরে আলতো করে উড়না দিয়ে ঘোমটা টেনে তার মাথা ঢেকে দেয়।
এই মুহূর্ত টা রাহার অন্তর জুড়িয়ে দেয়ার মতোন।
ছোট ছোট চোখে তাকিয়ে থাকে তার অভ্র ভাইয়ের দিকে। কখনও নিজে থেকে কাছে টেনে নেয়, কখনও কষ্ট দিয়ে দূরে সরিয়ে দেয়, কখনও যত্ন করে তো কখনও অবহেলা।
ইশারা দেয় নামার জন্য। দুইজনের সন্তপর্নে বেরিয়ে আসে। তাদের দেখে মনে হচ্ছিল একদম রাজ্যটোক
দূর থেকে আফসানা বেগম মৃদু স্বরে “মাশাআল্লাহ” বলে ওঠেন।
কেন জানি সাথী বেগমেরও এই দৃশ্যটা দেখে অজানা এক ভালো লাগা অনুভূত হয়।
সামনের দিকে এগোতেই আয়রা আর জায়রা দৌড়ে এসে রাহাকে জড়িয়ে ধরে।
“আপু, এত দেরি করলে কেন? আমরা তোমার জন্য কতক্ষণ ধরে অপেক্ষা করছি!”
রাহা হালকা হেসে তাদের মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়ে বলে,
“পরীক্ষা দিতে দেরি হয়ে গেলো।”
অভ্রকে কিছু বলতে গেলেই সে পাশ কেটে সামনে এগিয়ে যায়, যেন কথা থামানোরও সময় দিতে চায় না।
রাহা এখানে না এলে, অভ্র নিজেও এখানে আসত না । এই মেয়েটার জন্যই সে নিজের গুছানো জীবন, দূরের সব পরিকল্পনা আর স্থিরতা সবকিছু ছেড়েছুঁড়ে দেশে ফিরে এসেছে। এই মেয়েটাই যে তার জীবনের একমাত্র চাবিকাঠি।
—————
গতরাতে….
অভ্রের কক্ষে তার মা, মেজো আম্মু, ছোট আব্বু আর ছোট আম্মু প্রবেশ করেন।
তার বাবা কক্ষের বাইরে অবস্থান করছিলেন।
তিনি ভেতরে না ঢুকে দরজার বাইরেই দাঁড়িয়ে থাকেন, কারণ তিনি জানেন—তিনি ভেতরে গেলে অভ্র হয়তো আবার বেরিয়ে যাবে। তাই তিনি ভেতর না গিয়ে বাইরে থেকেই তার কাঙ্ক্ষিত উত্তরের জন্য অপেক্ষা করতে থাকেন।
দুই হাত পেছনে একসাথে করে, মুখে অসহায়তার ছাপ নিয়ে মাথায় চিন্তার ভার বয়ে এক ভগ্ন হৃদয়ের বাবা দাঁড়িয়ে আছেন। ছেলের মুখ থেকে ‘হ্যাঁ’ শুনবেন—এই অপেক্ষায় তিনি নিঃশব্দে সময় গুনছেন।
আফসানা বেগম নিজের মধ্যে সাহস সঞ্চয় করে শান্ত গলায় বলেন,
“কালকে এতিমখানায় মিলাদের আয়োজন করেছি, তুমি আমাদের সাথে যাবে।”
অভ্র একদম স্পষ্টভাবে না করে দেয়।
তার সেই না শুনে দরজার বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা আমান খানের বুকটা ভারী হয়ে যায়। অসহায়তা আর কষ্টে তার ভেতরটা জর্জরিত হয়ে যায়।
আফসানা বেগম আবার নরম স্বরে অনুরোধ করেন,
“প্লিজ বাবা, না করো না। তুমি এই খান বাড়ির একমাত্র ছেলে। এই নয়টা বছর আমরা তোকে ছাড়া কীভাবে কাটিয়েছি, সেটা শুধু আমরা জানি।”
তার কণ্ঠটা একটু কেঁপে ওঠে। তিনি থেমে আবার বলেন,
“এখন যেহেতু ফিরে এসেছিস, একটাবার হলেও আমাদের সাথে চল। এটাকে শুধু দায়িত্ব না—একটু নিজের মানুষগুলোকে সময় দেওয়া ভাব।”
অভ্র ভেতরের সব ক্ষোভ আর কষ্ট চেপে রেখে ঠোঁটের কোণে এক তীক্ষ্ণ, বাঁকা হাসি টেনে আনে আর বলে,
“ওহ্ রিয়েলি”
সেদিন কি মনে হয়নি যে আমি এই বাড়ির একমাত্র ছেলে? আমার সাথেই তখন যা করা হয়েছে, সেটা কি আপনাদের ঠিক মনে হয়েছিল?”
এই কথাটা শুনে আফসানা বেগমের মুখে যেন অমানিশা নেমে আসে।
তিনি আর কিছু বলতে পারেন না—শব্দগুলো গলায় আটকে যায়।
অভ্রের প্রতিটি তিক্ত বাক্যে আফসানা বেগম, আমান খান আর উপস্থিত সবাই যেন ভেতর থেকে কেঁপে ওঠেন।
কথাগুলো শুধু কানে নয়, সোজা অন্তরে গিয়ে আঘাত করে—।
আসান খানও তখন ধীরে বলে ওঠেন,
“দেখ অভ্র বাবা, আগে কী হয়েছে না হয়েছে সব ভুলে কি নতুন করে শুরু করা যায় না? প্লিজ বাবা, বড় ভাই আর ভাবিকে এসব বলে কষ্ট দিস না। এত বছর তোকে না পেয়ে তারা অনেক কষ্ট পেয়েছে।”
অভ্র তখনও চুপ করে থাকে।
মনে হচ্ছে সে নিজের সাথেই ভেতরে ভেতরে লড়াই করছে।
একদিকে পুরোনো ক্ষোভ আর কষ্ট, অন্যদিকে পরিবারের টান—দুটোই তাকে টেনে ধরে রেখেছে। বাইরে সে চুপ, কিন্তু ভেতরে চলতে থাকা সেই দ্বন্দ্বই তাকে আরও কঠিন আর দূরত্বপূর্ণ করে তুলছে।
অভ্রের কাছ থেকে কোনো উত্তর না পেয়ে তারা বুঝে যায়, সে আর যাবে না।
ঠিক তখনই আমান খান রুমে প্রবেশ করে।
“তুমি কি সত্যিই আমাদের সাথে যাবে না?”
কোনো উত্তর আসে না। শুধু নীরবতা।
আসান খান এক গভীর হতাশার নিঃশ্বাস ফেলে আমান খানের দিকে ঘুরে বলেন,
“ভাইজান, আমি আমার বন্ধু আরাফ শিকদারকেও বলেছি আসতে। তার ছেলে নিয়েও নাকি সে আসবে।”
“ঠিক আছে, ভালোই করেছিস বলে, আসুক,” শান্ত গলায় বললেন
আরাফ শিকদারের নাম শুনতেই অভ্রের মুখে চাপা অস্বস্তি ফুটে ওঠে। সে ধীরে ধীরে হাত দুটি মুষ্টিবদ্ধ করে, চোয়াল শক্ত হয়ে যায়। ভেতরে জমে থাকা পুরোনো অস্থিরতা যেন আবার মাথা তুলে দাঁড়ায়।
তারপর ঠান্ডা গলায়, প্রায় ফিসফিস করে বলে ওঠে,
“তাহলে তো মাহাদীও আসবে।”
ঠিক সেই মুহূর্তে অভ্র হঠাৎ বলে ওঠে,
“ঠিক আছে, যাব আমি।”
এক সেকেন্ডও দেরি না করে সে সেখান থেকে চলে যায়।
অভ্রের হঠাৎ “যাব আমি” বলা শুনে ঘরটায় যেন এক মুহূর্তের জন্য সবাই থমকে যায়।
আফসানা বেগমের চোখে অবিশ্বাস—এই সহজে মত বদলাবে, তিনি ভাবতেই পারেননি।
আমান খানের মুখে হালকা স্বস্তি এসে পড়ে, কপালের টান কিছুটা শিথিল হয়। তবুও তার চোখে একটা অজানা সংশয় রয়ে যায়—ছেলেটা হঠাৎ কেন রাজি হলো?
আসান খান প্রথমে একটু বিস্মিত হন, তারপর ধীরে বলেন,
“ভালোই হলো অন্তত রাজি তো হলো।”
ছোট আম্মু আর মেজো আম্মু একে অপরের দিকে তাকান—দুজনের চোখেই একই প্রশ্ন, একই অবাক হওয়া।
আর রুমের সেই ভারী নীরবতার মধ্যে শুধু একটা ব্যাপার স্পষ্ট থাকে—অভ্রের এই সিদ্ধান্তটা সাধারণ নয়, এর পেছনে কিছু না কিছু অবশ্যই আছে।
—————
বর্তমান…
এতিমখানায় পৌঁছাতেই সবাই তাদের সাদরে গ্রহণ করে।
“যাক, অবশেষে তোরা আসলি,” সাথী বেগম বলে উঠলেন।
সবাইকে একসাথে দেখে আমান খানের মনটা যেন একটু শান্তি পায়।
বাচ্চাদের খাওয়াদাওয়া শেষ, বাকি ছিল শুধু কিছু আয়োজনের অংশ।
ঠিক সেই সময় আরেকটি গাড়ি এসে থামে। গাড়ি থেকে নামেন আরাফ শিকদার এবং মাহাদী।
আরাফ শিকদার আর মাহাদীকে দেখতেই অভ্রের ভেতরের চাপা রাগ হঠাৎ করেই তীব্র হয়ে ওঠে।
তার চোয়াল শক্ত হয়ে যায়, চোখের দৃষ্টি আরও ধারালো হয়ে আসে। মুঠো আবার অজান্তেই শক্ত হয়ে যায়।
মাহাদী দূর থেকেই অভ্রের দিকে তাকিয়ে মৃদু হাসে।
তার হাসিটা ছিল স্বাভাবিক নয়—একটা ইঙ্গিতভরা, ঠান্ডা আত্মবিশ্বাসে ভরা। যেন সে বুঝিয়ে দিতে চাইছে, রাহাকে দূরে সরিয়ে রাখার ক্ষমতা কারো নেই।
অভ্র সেই হাসি দেখেই আরও শক্ত হয়ে যায়। ভেতরের রাগটা চেপে রাখলেও চোখের তীক্ষ্ণতা মুহূর্তে আরও গভীর হয়ে ওঠে—দুজনের মধ্যে নীরব এক টানাপোড়েন তৈরি হয়, যা কেউই উচ্চারণ করে না, কিন্তু দুজনেই স্পষ্টভাবে অনুভব করে।
অভ্র সাথে সাথে মুখের গম্ভীরতা সরিয়ে ঠোঁটের কোণে এক রহস্যময় হাসি টেনে আনে।
এক হাত দিয়ে ধীরে ধীরে চোয়াল ঘষতে থাকে।
হয়তো মনে মনে কোনো ছক কষছে।
আসান খান তৎক্ষণাৎ সামনে এগিয়ে যান এবং আরাফ শিকদারকে নিয়ে ভেতরের দিকে এগিয়ে আসেন।
সবাই তাদের দেখে খুব খুশি হয়েছে
রাহার মুখে কোনো হাসি নেই। বরং হঠাৎই সে ভয় পেয়ে যায়।
শাস্তির সেই মুহূর্তটা মনে পড়তেই তার বুকটা কেঁপে ওঠে।
মনে মনে সে ঠিক করে ফেলে—মাহাদী পাতা থেকে এবার থেকে যতটা সম্ভব দূরে রাখবে, অন্তত বিশ হাত দূরত্ব বজায় রাখবেই। কোনোভাবেই আর অস্বস্তির মুখোমুখি হতে চায় না।
এখন বাচ্চাদের জন্য পোশাক বিতরণের প্রস্তুতি চলছিল, তাই সবাই ভেতরের দিকে চলে যায়।
কিন্তু অভ্র সেখানেই দাঁড়িয়ে থাকে—সে ভেতরে যায় না।
মাহাদী ধীরে ধীরে অভ্রের দিকে এগিয়ে এসে হালকা একটা হাসি দেয়,
ভেতরে ঢোকার জন্য পা বাড়াতেই হঠাৎ ভেসে আসে,
“কিরে থার্ড পার্টি!”
মাহাদী থমকে দাঁড়ায়।
·
·
·
চলবে……………………………………………………