নিভৃতে বাঁধিয়ো প্রিয়া - পর্ব ২২ - লাবিবা ওয়াহিদ - ধারাবাহিক গল্প

"কিছু নেশা পেয়ালায় থাকে না, থাকে— কারো চোখের গভীর চাহনিতে।" ~ মির্জা গালিব।

          সেইন নদীতে প্রতিদিনের মতো বেশ কয়েকটা রিভার ক্রুস দেখা যাচ্ছে। সেগুলো পর্যটকে ভর্তি। আজকের বিকালের আবহাওয়া একটু ঠান্ডা, ঠান্ডা। তবুও যেন এই পরিবেশটা পারফেক্ট নৌসফরের জন্য। এই সেইন নদী হচ্ছে প্যারিসের শত শত বছরের প্রাণ। এতে জড়িয়ে আছে আবেগ, ইতিহাস কিংবা সুখ। কথিত আছে নৌভ্রমণের জন্য সন্ধ্যা কিংবা রাত হচ্ছে পারফেক্ট। এর জন্য পর্যটকরা বেশি ভীড় জমায় শেষ বিকেলের দিকে। সাহিদ এবং ইসমাত লম্বা লাইনের শুরুর দিকে। ইতিমধ্যেই ওরা দেড় ঘণ্টার লাইনে ছিল। অবশেষে কাঙ্খিত সময় এসে হাজির। সন্ধ্যা হতে বেশি দেরী নেই। ওদের পরিকল্পনা রিভারক্রুসে করেই সন্ধ্যায় আইফেল টাওয়ারের আলো জ্বলতে দেখবে। সেই আলোর মাঝে তারার মতো কয়েকটা আলো ঝিলমিল করবে। এটা নাকি রাত একটা অবধি প্রতি ঘণ্টায় পাঁচ মিনিটের মতো জ্বলে। এই দৃশ্য প্রাণ ভরে দেখতে চায় পর্যটকরা। সাহিদরাও তাই চাচ্ছে।

 ইসমাতের রাগ পুরোপুরি ভেঙেছে কিনা বোঝা যাচ্ছে না। তবে আগের মতো কপাল কুঁচকে নেই। সাহিদ আগে শুনত মেয়েদের নাকি রাগ ভাঙানো কঠিন। কিন্তু তার বাবা এতে আপত্তি করেন। বলেন, 
--"মেয়েটা পানির ন্যায় স্বচ্ছ। বেশিরভাগ দেখবে, অল্পতেই খুশি হয়ে যায়। ওরাই জীবনে সবচেয়ে বেশি ধোকা খায়। কিন্তু যারা অভিমান করতে জানে তারা সুখী মানুষ।"

--"কেন?"
--"মেয়েরা মূল্যবান। তারা রাগ-অভিমান করবে না, অল্পতেই গলে যাবে এটা ঠিক না। তাদের উচিত বেশি বেশি রাগ করা। সে আরও লাকি হয়, যখন না তার একজন পার্টনার থাকে যে কিনা মেয়েটার রাগ ভাঙাতে সবকিছু করতে পারবে।"

--"মম?"

--"তোমার মাও অল্পতে গলে যাওয়া নারী ছিলেন। আমি তাকে ট্রেনিং দিয়েছি। এখন তো ঘুষ না দিলে রাগ ভাঙতেই চায় না। এমনও গেছে সপ্তাহখানেক মুখ ফিরিয়ে ছিল। তোমার মমও লাকি, যে কিনা একজন চিন্তা করার মতো হাসবেন্ড পেয়েছে। তি যদি আমার মতো না হও, তাহলে তোমাকে আমি ত্যাজ্যপুত্র করব। এজন্য বলি, সময় থাকতে শুধরে যাও।"

তাদের বাপ-ছেলের এটুকুই কথা হয়েছিল দুপুরে। যখন বোটে ওঠার পালা এলো। সাহিদ উঠে হাত বাড়িয়ে দিল। এক্ষেত্রে ইসমাত বাকবিতন্ডায় জড়াল না। আশেপাশে অসংখ্য মানুষ আছে। খামাখা সিনক্রিয়েট করার মানে হয়। এখানে মানুষ সুন্দর স্মৃতি বানাতে আসে। সুন্দর স্মৃতির নামই যে প্যারিস। 

ওরা ক্রুজের ডেকে দাঁড়াল। এটা খোলা বারান্দার মতো। ভেতরেও বসার, দাঁড়ানোর জায়গা আছে। তবে মানুষজন সুন্দর দৃশ্য প্রাণভরে দেখতে এই ডেকেই দাঁড়ায়। এক ঘণ্টার এই রিভারক্রুস জার্নিটা সবার জন্যই বিশেষ। অবশেষে ক্রুজ ছাড়ল, এগিয়ে চলল সেইন নদীর তীরে। মুহূর্তেই গা শিরশিরে বাতাস ছুঁয়ে দিল সবাইকে। কিন্তু আজ কেউ গরম কাপড় পরতে ভুল করেনি। এই সেইন নদীর বুকে শীত শীত আবহাওয়া খুব ভালো করে উপভোগ করতে শুরু করেছে। কিছুটা দূর আসতেই দেখল আইফেল টাওয়ার। চোখের পলকেই লাইট জ্বলে উঠল। রিভার ক্রুজের পর্যটকরা সবাই হইহই করে উঠল। এমন দৃশ্য নদীতে দাঁড়িয়ে দেখার অদ্ভুত আনন্দ। পানিতে আইফেল টাওয়ারের ঝিলমিল প্রতিচ্ছবি পড়ছে। এছাড়া চারপাশের বিভিন্ন ল্যাম্পপোস্টের হলদে আলো তো আছেই। ইসমাত বুঝি এক মুহূর্তের জন্য হারিয়ে গেল এই সৌন্দর্যে। ভুকে গেল বুঝি নিজের পরিচয়ও। সাহিদ এই দৃশ্য ক্যাপচার করতে ভুলছে না। একহাতে তার ফোনের রেকর্ড চলছে এখনো। মুহূর্তেই একটা ব্রিজের নিচে দিয়ে গেল রিভারক্রুস। সাহিদ সঙ্গে সঙ্গে নিজের সাথে ইসমাতকে একপাশ করে জড়িয়ে ধরল। ইসমাত চমকাতেই সাহিদ ফিসফিস করে বলল,
--"স্টে লাইক দ্যাট, ইসমি। হারিয়ে যাবেন।"

ইসমাত আবারও সেই ডাকে বুকের দাপুটে ওঠানামা অনুভব করল। সবকিছু মিলিয়ে কেমন মিশ্র অনুভূতি হচ্ছে। এই অনুভূতিটা অন্যরকম, নতুন। তবুও যেন সে চাইল সাহিদের সাথে এই মুহূর্তগুলো শেষ না হোক। ব্রিজের নিচ থেকে ওদের বেরিয়ে আসতে সময় লাগল না। সাহিদ আশেপাশে দেখল ব্রিজ থেকে বের হওয়ার পর থেকেই কাপল কিছু কিস করছে। ইসমাতের নজর তখনো সেইন নদীর পানিতে। নিজের হৃদপিণ্ডকে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করছে সে। সাহিদ কি ভেবে তাকাল ইসমাতের গভীর চোখে, পরপর ঠোঁটে। চুমুর শব্দ কানে ভেসে আসছে তার। সে মুখ ফিরিয়ে অন্যদিকে তাকাল। জ্যাকেটের পকেটে দুই হাত পুরল। 

 রিভারক্রুস যতটা আগাচ্ছে ততই দেখা যাচ্ছে বিভিন্ন ঐতিহাসিক ইমারত, ব্রিজ, পথ। এর মাঝে গুড়িগুড়ি বৃষ্টি পড়ছে। ওরে কেউ এক পাও নড়ছে না। এই বৃষ্টি যেন তাদের সফরে আরও ঘি ঢেলে দিয়েছে, এত রোমাঞ্চকর। সাহিদ ইসমাতের কানের কাছাকাছি মুখ নিয়ে গেল। মিনমিন করে জিজ্ঞেস করল,
--"রাগ নেমেছে?"

ইসমাত উত্তর দিল না। সাহিদ ভ্রু কুঁচকে তাকিয়ে বলল,
--"আপনি ড্রামাতে খুবই বাজে, ইসমি। আপনার বোনের ধারেকাছেও না।"

--"রিয়েলি?"
--"হুঁ। দেখেননি বিয়ে করে সোশ্যাল মিডিয়া কেমন উত্তাল করে রেখেছে?"
--"তুমি জানলে কি করে?"

--"চোখ দিয়ে দেখেছি, তাই।"

ইসমাত আবারও নীরব হয়ে গেল। বোনের বিষয়টা তাকেও কম ভাবাচ্ছে না। আজ তো সুযোগই হয়নি কথা বলার, বেরিয়ে আসার আগে একটা নতিফিকেশন এসেছিল, সেখানের লিংক থেকেই ভিডিওটা দেখেছে। সুযোগ করে কথা বলবে তাও তো নিশ্চিত ছিল। তবে সাহিদ জানতে পেরেছে, তা বেশ অবাকের বিষয়।

সাহিদ চেয়েছিল আজ কালের মধ্যে রোদসীকে এক্সপোজ করবে। কিন্তু তখনই কানে এলো তার বয়সে দুই বছর বড়ো শালিকা নাকি বিয়ে করেছে। এই মুহূর্তে রমরমা টপিক মূলত এটাই। এজন্য সে সময় পিছিয়েছে। টপিক চলুক আরও কটাদিন, আনন্দ নষ্ট করার কোনো মানে নেই যে। দুলাভাই হিসেবে শালীর এটুকু উপকার নাহয় সে করল। 

এক ঘণ্টায় তাদের রিভারক্রুজ জার্নির সমাপ্তি ঘটল। সেখান থেকে সাহিদ ইসমাতকে নিতে চাইল ডিনারের জন্য। আশেপাশে বেশ ভালো ভালো রেস্টুরেন্ট আছে। অবশ্য, হালাল হারাম যাচাই করতে হবে। এটা শুনে ইসমাত তাচ্ছিল্য হেসে বলল,
--"ওয়াইন, হুইস্কি, এলকোহল— ওগুলা বুঝি খুব হালাল?"

--"ইট ডিপেন্ডস অন মাই টেস্ট, মিসেস। পিগ আমার টেস্টে নাই, ঘেন্না লাগে। এজন্য আই এভোয়েড দিস।"

ইসমাতের তাচ্ছিল্য তবুও থামল না। একসময় ইসমাত বাঁধ সাধল, সাহিদকে দেখাল কিছু বিখ্যাত ইন্টারন্যাশনাল ব্র‍্যান্ড। সেখান থেকে আজ সে একান্ত নিজের জন্য কেনাকাটা করবে। সাহিদ ভ্রু কুঁচকে বলল,
--"এতে কি আপনার রাগ ভাঙবে?"

--"শপিং এর সাথে রাগ ভাঙার কথা উঠছে কেন?"

--"জাস্ট.. আস্কিং!"

সাহিদ টের পায়, ইসমাত এত সহজে তার কাছে ধরা দিবে না। এতদিনের সব তেল, ঘি, ঘাম মিটিয়ে ছাড়বে। সাহিদও কম যায় না। ইসমাতের রাগ তো সে ভাঙাবেই, তবে তার নিজের পদ্ধতিতে। এখন অবশ্য তার মাঝে রাগ ভাঙানোর তাড়া দেখা যাচ্ছে না। সে তাকে নিয়ে গেল chanel এর একটা আউটলেটে। এই ব্র‍্যান্ড লাক্সারি ফ্যাশনেবল হিসেবেও পরিচিত। এটি ফ্রান্সের প্রাচীন এক ব্র‍্যান্ড। এটির শুরু এই প্যারিসেই, ১৯১০ সালে। আজ অবধি সামর্থ্যবান মানুষদের জন্য এই ব্র‍্যান্ড সুপরিচিত। 

ইসমাত এই স্থানে প্রবেশ করেই আগে কিছু ফ্যাশনেবল লেডিস স্যুট ট্রায়াল দিল। সাহিদ একপাশে বসে ইসমাতের চয়েজ করা দেখছে। তাকে একজন সেলস লেডি সাহায্য করছে। সেদিন সাহিদের নাটক দেখেছিল ইসমাত, আর আজ দেখছে সাহিদ। মন্দ লাগছে না। বরঞ্চ মেয়েদের অন্যান্য কালেকশনও সে দেখল। পরপর উঠে গিয়ে পারফিউম কালেকশন দেখতে শুরু করল সে। কি মনে করে সে দুইটা সিলেক্ট করল। দুটোরই ঘ্রাণ ভালো। এরপর সাহিদ একটা লেডিস ওয়াচও পছন্দ করল। সেগুলা একপাশে করে ইসমাতের কাছে আসতেই দেখল তার এখনো ট্রায়াল দেওয়া হয়নি। সে এখন সাদার মধ্যে একটা স্যুট ট্রায়াল দিচ্ছে। সাহিদ চোখ ফেরাতে পারল না। আজকাল এই মেয়েটা যাই পরছে, তাতেই কেন সে চোখ ফেরাতে পারে না? তার জানা নেই। 

ইসমাত দুটো স্যুট নিল, একটা মিষ্টি গোলাপী আর আরেকটা সাদা রঙের। সাথে একট কালো রঙের ব্যাগ। যখন বিল করতে দেওয়া হলো সাহিদের ইশারায় পারফিউম আর ঘড়ির বিলও একসাথে করল। সব মিলিয়ে বিল আসল খুব মোটা অংকের। আজ ইসমাতের বলা লাগল না, সাহিদ নিজেই তার কার্ডটা এগিয়ে দিল। ইসমাত পারফিউম আর ঘড়ি দেখে ভ্রু কুঁচকে বলল,
--"এগুলা কার জন্য?"

--"আমার যে আরও দু-চারটে মিস্ট্রেস আছে, তাদের জন্য।" সাহিদের ত্যাড়া জবাব। 

--"তো এগুলো কেনার সময় মিস্ট্রেসদের আনলেই পারতে।"

--"অলরেডি একজন এক্সপেন্সিভ লেইডিকে পার্মানেন্ট করে ফেলেছি। সে নিজেই তো কয়েক জনের সমান।"

আবারও বুঝি হার্টবিট ব্রেক করল? সাহিদের কথা-বার্তা আজ এত লজ্জাহীন কেন? ইসমাত না পারতে মুখ ফিরিয়ে নিল, কান গরম হচ্ছে। সাহিদ ইসমাতকে চুপসে যেতে দেখে বলল,
--"হোয়াট? ঝগড়ার দম শেষ, মিসেস ইসমি?"

—————

পরেরদিন ওদের একটা মিটিং ছিল। ক্লায়েন্টরা এই ফ্রান্সেরই। তাদের মাঝে একজন খুব ইয়াং যুবক, ইসমাতের বয়সের কম-বেশি হতে পারে। এর নাম লিয়াম। ব্যবসার খাতিরে ইসমাতের সাথে বেশ সখ্যতা গড়ে উঠেছে। সাহিদ সূক্ষ্ম নজরে দেখেছে এই ছেলে তখন থেকে তার বইয়ের আগে-পিছে ঘুরছে, ফ্লার্টিং করে যাচ্ছে। এতে তার মেজাজ খারাপ হচ্ছে, বিদেশি মালটাকে কিছু বলতে পারছে না। তবুও ইসমাত রেগে যাবে বলে সিনক্রিয়েট করল না। যতই হোক, ব্যবসার ক্ষেত্রে দাপাদাপি সাজে না, এখানে একটু নীরব থাকতে হয়। কিন্তু এসব বলে সে নিজেকে কতক্ষণ বুঝ দিবে? তার যে ইসমাতের সাথে অন্যকারো মেলামেশা একবিন্দুও সহ্য হচ্ছে না। মিনমিন করে কতগুলা গা লি যে দিয়েছে তার হদিশ নেই। যখন ইসমাতকে কফি সাধল, সাহিদ বিড়বিড় করল,
--"তোর হট কফি তোর ওই জায়গায় ঢেলে দিব শালা! আমার বউকে নিয়ে নষ্ট চিন্তা! কান দিয়ে ঢোকেনি ওটা আমার বউ?"

সাহিদ দেখল, ইসমাত হাসিমুখেই বারণ করেছিল। কিন্তু ওই গাধা তা শুনতে নারাজ। সাহিদ নিজের রাগ সামলাতে না পেরে সোজা ওদের মাঝখানে ঢুকে পড়ল। সাহিদের পিছে তখন ইসমাত, সেও কিছুটা হতভম্ভ। সাহিদ জোরপূর্বক হেসে লিয়ামের কাঁধে শক্ত চাপড় দিয়ে বলল,
--"আই রিয়েলি নিড দিস কফি, থ্যাঙ্কিউ!"

বলেই ছোঁ মে রে কফিটা নিয়ে নিল সে। লিয়ামকে এতে অপ্রস্তুত দেখাল। তবুও তার মুখে হাসি।
--"শিওর, হ্যাভ ইট!"

এবার ওদের বিদায়ের পালা। ইসমাতের পিছু পিছু লিয়ামও গ্যারেজে এলো। ইসমাত সবেই সরে দাঁড়িয়েছে তার ক্লায়েন্টের কাছ থেকে। বন্ধুসুলভ হাগ করেছে দুজন। হাগটা করতে চায়নি সে। ইসমাত কিছু একটা বুঝে ওঠার আগেই লিয়াম করে বসেছে। ওদের দেশের সংস্কৃতিতে এসব খুবই কমন, তাই বুঝি খুব সহজেই করে ফেলল। কিন্তু ইসমাতের ঘোর থেকে বেরোতে সময় লাগল। রাগ লাগলেও প্রকাশ করার সাধ্যি নেই, এই ডিলটা খুব ইম্পোর্টেন্ট কিনা। তবে সে হাসল না, মিনমিন করে বলল,
--"আই ডোন্ট লাইক ইট।"

লিয়ামকে এতে চিন্তিত দেখাল। কোনো ভুল করে ফেলল কি? এসব কী অস্বাভাবিক কিছু? কই, একদমই না। তাহলে? সে না বুঝেই সরি বলে বসল। ইসমাত "ইটস ওকে" বলল। গাড়ির দিকে তাকাতেই দেখল সাহিদ দাঁড়ানো। শক্ত চোয়াল, মুখটা রক্তিম। ইসমাত সেদিকে খেয়াল না করে গাড়িতে উঠে বসল, কিন্তু গাড়ির দরজা লাগাতে দিল না সাহিদ। সে আবারও টেনে গাড়ির দরজাটা খুলে গরম চোখে ইসমাতকে পরখ করল। পরপরই মাথা নামিয়ে কিছুটা ঝুঁকে আসল লম্বা, পেশিবহুল দেহটা। ইসমাতের কাছাকাছিই সাহিদের মুখটা। ইসমাত বিরক্ত হলো। 
--"কী সমস্যা?"

--"ডু ইউ ওয়ান্ট টু ডাই, ইসমাত?"

ইসমাতের চোখ ছানাবড়া। যেন সে বুঝতে পারেনি এমন করেই অস্ফুট স্বরে প্রশ্ন ছুঁড়ল,
--"মানে?"

সাহিদ একই কথাটা এবার বাংলায় আওড়াল,
--"ম র তে চান?"

--"হি'জ জাস্ট আ ক্লায়েন্ট!"

--"এন্ড আ'ম ইওর হাসবেন্ড। নো ওয়ান টাচেস হোয়াটস মাইন!"
·
·
·
চলবে……………………………………………………

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

WhatsApp