অভিমানিনী - পর্ব ২৬ - মৌরি মরিয়ম - ধারাবাহিক গল্প


          বিকালবেলা হসপিটাল থেকে বেরিয়ে ডিভোর্সের ব্যাপারে উকিলের সাথে কথা বলে একবারে বাড়িতে ফিরলাম। কেবল সন্ধ্যা পেরিয়ে রাত নামল। ঘরে ঢুকে লাইট জ্বালাতেই দেখি দিতিয়া ঘুমিয়ে আছে। রাতে বোধহয় কান্নাটা থামালেও ঘুমাতে পারেনি ও। তাই এই অসময়ে ঘুমাচ্ছে। দিতিয়া প্রতিদিন শাড়ি পরে। কিন্তু শাড়ি পরে ঘুমাতে পারে না বলে রাত্রে সালোয়ার-কামিজ পড়ে। এই অবেলায় হয়তো প্ল্যান করে ঘুমায়নি। তাই শাড়ি পরেই ঘুমিয়ে পড়েছে। আর সেই সুবাদে আঁচলটা সরে গিয়ে ওর মেদহীন হালকা গোলাপি মসৃণ পেট বের হয়ে আছে। এই দৃশ্য দেখে আমার প্রায় মাথা ঘুরে যাওয়ার মতো অবস্থা হলো। সাথে সাথে আমি চোখ ফিরিয়ে নিলাম কিন্তু যে দৃশ্য একবার দেখে ফেলেছি তা আমাকে চুম্বকের মতো টেনে নিল। আমি ওর কাছে গিয়ে বেহায়ার মতো তাকিয়ে ছিলাম। ও আল্লাহর নিজ হাতে গড়া, তা না হলে একটা মানুষ কী করে এত সুন্দর হয়?

আমি সাজগোজ পছন্দ করি বলেই বোধহয় রাতে আর সকালে চোখে একটু কাজল, কপালে একটা ছোট টিপ আর ঠোঁটে হালকা কোনো লিপস্টিক থাকে। কিন্তু এখন এসব কিচ্ছু নেই। একদমই ন্যাচারাল। আর তাতে ওকে আরো বেশি সুন্দর লাগছে। ওর কপালের ওপর পড়ে থাকা চুলগুলো ফ্যানের বাতাসে উড়ছে। নিঃশ্বাসের সাথে সাথে ওর বুক, নাভি, কোমরের ঢেউ ওঠানামা করছে। এসব দেখে আমার নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে যাওয়ার উপক্রম হলো।

যদিও ও আমার স্ত্রী কিন্তু আমি ওকে ভালোবাসি না। তাই চিন্তাটা অন্যদিকে ঘোরার আগেই আমি গোসল করতে ঢুকে গেলাম।

এটুকু পড়ে অর্পি বলল,

“ধুর আমি ভাবলাম চাচ্চু বুঝি এখন একটু আদর করবে চাচিকে!”

অদ্রি ধমক দিয়ে বলল,

“সকালে দেখলি না আদর করতে? এখন না জ্বালিয়ে চুপচাপ পড়।”

ওরা আবার পড়া শুরু করল,

গোসল করে বেরিয়ে দেখি দিতিয়া বিছানা গোছাচ্ছে। মনে মনে ভাবলাম, ভাগ্যিস মেয়েটা জানে না কিছুক্ষণ আগেই কি লোভাতুর চোখে আমি ওর গুপ্ত সম্পত্তি দেখেছি। আমাকে দেখতে পেয়ে ও বলল,

“কখন এলে? আমাকে ডাকলে না যে?”

“ডাকলে কী হতো?”

“কিছু না, এমনি…তোমার কিছু লাগবে? কিছু খাবে?”

“না তবে শুধু চা দিতে পারো।”

দিতিয়া চা নিয়ে এলে চাটা হাতে নিয়ে আমি বললাম, “উকিলের কাছে গিয়েছিলাম।”

“ওহ!”

“কিন্তু একটা সমস্যা আছে। বিয়ের ১ বছর হওয়ার আগে ডিভোর্স নেয়া যাবে না।”

“ও! তা দেখতে দেখতে কেটে যাবে। ৭ মাস তো হয়েই গেল। আর তো মাত্র ৫ মাস।”

“হুম। আমার কোনো তাড়াও নেই, মানসীর গ্রাজুয়েশন শেষ হতে প্রায় ৩/৪ বছর লাগবে এখনো। তার আগে ওর বাবা ওকে বিয়েও দেবে না।”

“ও…”

ও একটু থেমে আবার বলল,

“এই ৫ মাস আমি কি এ বাড়িতে থাকতে পারি?”

“হ্যাঁ, কেন পারবে না? অবশ্যই পারবে।”

ও আর কিছু বলল না।

আমি চা শেষ করে বেরিয়ে মায়ের ঘরে ঢুকলাম। মায়ের সাথে বসে গল্প করলে মা খুব খুশি হয়। ঘরে ঢুকে দেখি মা-বাবা কেউ ঘরে নেই। অনন্যা আর দিতিয়া ড্রইং রুমে বসে টিভি দেখছিল। আমি বললাম,

“অনন্যা…মাকে দেখছি না?”

“কোথায় যেন গেল। তুমি আসার আগেই গেছে।”

“ও।”

আমি আবার ঘরে ঢুকছিলাম। ও ডাকল,

“দাদা শোনো না…”

আমি ঘুরে তাকিয়ে বললাম,

“কিছু বলবি?”

“আগে প্রায় সন্ধ্যায় তুমি আমাদের সবাইকে আইসক্রিম, ফুচকা খেতে নিয়ে যেতে।

“হুম জানি তো, যেতাম।”

“আর নতুন সিনেমা আসলেই তুমি আমাদের সবাইকে দেখতে নিয়ে যেতে। আর এখন টাইটানিক বাংলাদেশে রিলিজ হয়েছে, তোমার কোনো খবরই নেই।”

“কী খবর চাস?”

“নিয়ে যাবে?”

“সৌরভকে বল।”

“ধুর! তোমার ভাইয়ের সাথে মুভি দেখতে গিয়ে কোনো মজা নেই। তাছাড়া ওকে বললে শুধু আমাকেই নিয়ে যাবে। দিতিয়া ভাবি, মোনা ওরা বঞ্চিত হবে।”

“মোনা এমনিতেও বঞ্চিত হবে। ওর ১৮ বছর হতে এখনো অনেক বাকি। বাই দ্য ওয়ে তোর ১৮ বছর হয়েছে তো? ১৮ বছরের ছোট শিশুদের নিয়ে যাওয়া কিন্তু নিষেধ। আমি পোস্টারে দেখেছি।”

অনন্যা আহ্লাদ করে বলল,

“দাদা আমার ২০ বছর পার হয়ে গেছে।

“ও তাই? কবে হলো?”

“উফ দাদা, কিপ্টামি কেন করছ?”

“আমি কিপ্টামি করছি? আর তুই যে নির্লজ্জের মতো বড় ভাশুরকে বলছিস টাইটানিকের মতো সিনেমা দেখতে নিয়ে যেতে সেটা কিছু না?”

অনন্যা চোখ বড় বড় করে বলল,

“কেন এমন কী সিনেমা?”

সেটা আবার আমার মুখে শুনতে চাচ্ছিস? আসলেই নির্লজ্জ হয়ে গেছিস রে ভাই।”

এবার অনন্যা প্রায় কেঁদে ফেলার ঢঙ করল। আর খেয়াল করলাম দিতিয়া অবাক হয়ে দেখছে আমাদের। অনন্যা কান্নার ভঙ্গি করে প্রলাপ শুরু করে দিল,

“অ্যা…এখন আমার কী হবে গো!”

“আচ্ছা আচ্ছা ভেংচির মা কান্দিস না। তোকে আমি তকলেত দেব।” অনন্যা হেসে ফেলল। আমি বললাম,

“রেডি হয়ে নে। ৯টার শো দেখব…’

আবার মনে পড়ায় জিজ্ঞেস করলাম,

“মোনা কই?”

“মোনা বাবা-মা সবাই একসাথেই বেরিয়েছে।”

“ও, আর ভেংচির বাপ কই?”

“ও আছে ঘরেই।”

“আচ্ছা তাহলে তোরা রেডি হয়ে নে। সাজতে আবার এক ঘণ্টা লাগাস না, তাহলে সব ভেস্তে যাবে।”

“আজকেই? তাহলে অদ্রিকে কার কাছে রেখে যাব?”

“আরে অদ্রিকে নিয়ে যাব। অদ্রি ১৮ এর নিচে হলেও পাকার মতো বয়স হয়নি।”

এটা বলে আমি আমার ঘরে চলে গেলাম। ঘরে ঢুকতেই শুনতে পেলাম দিতিয়া বলছে,

“এ আমি কী দেখলাম অনন্যা?”

“কী?”

“তোমার দাদা এত মজা করতে পারে?”

“এটাই দাদার আসল রূপ। ইশ আগে আমাদের সময়গুলো যে কী মজায় কাটত ভাবি চিন্তা করতে পারবে না। তোমাদের বিয়ের কিছুদিন আগে থেকে মানে সমস্যাগুলো যখন থেকে শুরু হয়েছে তখন থেকেই দাদা অন্যরকম হয়ে গেল। সারাদিন যে মানুষটা এত কথা বলত এত মজা করত সে কীভাবে চুপসে গেল। দেখলে না আমাকে কী রকম ক্ষ্যাপাতে লাগছিল? আমার বিয়ের আগে থেকে যখন মানসীর সাথে এ বাড়িতে আসতাম তখন থেকে এরকম করে আমার সাথে, সবসময়ই। খুব ভালো লাগত আমার। কয়টা মেয়ে এমন ভাশুর পায় বলো তো?”

“হুম। আর ও তোমাকে ভেংচির মা বলল কেন?”

“হি হি… দাদা আমাকে ক্ষ্যাপানোর জন্য ওই নামে ডাকত।”

“ওহ! নামটা কিন্তু মিষ্টি!”

“হুম, আচ্ছা শোনো তাড়াতাড়ি রেডি হয়ে নাও। দেরি হলে বকবে কিন্তু।”

“যাচ্ছি।”

ও আসছে তাই আমি সরে গিয়ে আলমারি খুললাম। শার্ট, প্যান্ট বের করলাম। ওকে বললাম,

“তাড়াতাড়ি রেডি হও।”

ও শাড়ি নিয়ে বের হয়ে যাচ্ছে দেখে জিজ্ঞেস করলাম,

“কোথায় যাচ্ছ?”

“মায়ের ঘরে গিয়ে শাড়িটা পরে আসি।”

“ওহ। আচ্ছা যাও।”

সৌরভ, অনন্যা, অদ্রি, দিতিয়া আর আমি গেলাম সিনেমা দেখতে। তখনকার যুগে সিনেপ্লেক্স ছিল না। তবে সেরা সিনেমা হল ছিল মধুমিতা। টাইটানিক একমাত্র ওখানেই রিলিজ দিয়েছিল। টিকিট ছিল ৩০ টাকা করে। কী দিন ছিল!

রিক্সায় উঠে দুজনেই চুপ। আমিই বললাম,

“হলে সিনেমা দেখতে তোমার কেমন লাগে?”

“আমি কখনো হলে সিনেমা দেখিনি।”

“ও”

“নিয়ে যাওয়ার মতো কেউ ছিল না।”

“হুম!”

আবার কথা হারিয়ে গেল। কী বলব, মানসীকে খুব মনে পড়ছে! আগে সিনেমা দেখতে যাওয়ার সময় মানসী থাকত সাথে। আজ মানসীর রিপ্লেসমেন্টে দিতিয়া। ও আজকে আমার দেয়া সেই শাড়িটা পরেছে। নতুন ভাঁজভাঙা শাড়িটাতে ওকে খুব সুন্দর লাগছে। ইশ যদি মানসীকে একবার দেখতে পারতাম! একই শাড়ি তো ওকেও দিয়েছিলাম। শাড়িতে মানসীকেও খুব সুন্দর লাগত। শাড়ি পরা মানসীর দিকে কত যে হ্যাবলার মতো তাকিয়ে থেকেছি তার হিসেব নেই। সারা জীবনের দেখা কি আমি একবারেই শেষ করে ফেলেছিলাম যে এখন আর দেখার সুযোগ পাই না? নাকি সুযোগ আবার আসতে চলেছে! ডিভোর্সের সবকিছু তো রেডি। এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা। আল্লাহ যেন আমাকে সেই সময়টুকু দেন। এমনই কপাল যে মানসীর সাথে কোনো যোগাযোগও করতে পারছি না। আমি যে ডিভোর্সের সব ব্যবস্থা করে ফেলেছি। সেটা তো ওকে জানাতে হবে। এসব ভাবনার অবসান হলো রিকশওয়ালার ডাকে। আমরা চলে এসেছি।

টিকিট কেটে দেখলাম আরো ১ ঘণ্টা বাকি। তাই অনেকদিন পর সবাই মিলে বাইরে খেলাম। কিন্তু আগের মতো হৈচৈ আর হলো না। আমি আর সৌরভ পুরো সময়টা আমাদের যার যার হসপিটালের গল্প করে কাটালাম। আর অনন্যা দিতিয়া ওদের মতো গল্প করে। তারপর সিনেমা দেখে ফেরার পথে সৌরভকে বললাম,

“ভাই তোর বউটাকে একটু ধার দে।”

সৌরভ বলল,

“আচ্ছা যা দিলাম। বাসায় গিয়ে ফেরত দিয়ে দিস কিন্তু। ভাবি তুমি এসো আমরা আলাদা যাই, এরা আলাদা যাবে।”

আমি অনন্যার কোল থেকে অদ্রিকে নিয়ে রিকশায় উঠলাম। অনন্যা বলল, “দাদা, আমাকে কিছু বলবে?”

“হ্যাঁ, তুই কী চাস বল তো। দিতিয়ার সাথে তো ভালোই খাতির দেখি। আবার মানসীরও জানের জান।

অদ্রি মানসীর নাম শুনতেই বলতে লাগল,

“আম্মা আম্মা আম্মা।”

অনন্যা অদ্রিকে বলল,

“হ্যাঁ, তোমার আম্মা।”

অদ্রি আবার বলতে লাগল,

“আম্মা দাবো আম্মা দাবো।”

অনন্যা অদ্রিকে বোঝাল,

“হ্যাঁ মা আমরা আম্মার কাছে যাব তো।”

তারপর আমাকে বলল,

“দাদা, আমি নিজেও কনফিউজড! মানসী আমার বেস্ট ফ্রেন্ড, বোনের চেয়েও বেশি। আমার জীবনে সৌরভ যতটা গুরুত্বপূর্ণ, মানসীও ততটা। এতকিছু হয়ে যাওয়ার পরও আমার মনে হয়েছে মানসী আর তুমি মেড ফর ইচ আদার। তোমরা এক না হলে বিশ্বাস করব আল্লাহ সত্যিকারের ভালোবাসার মানুষদের মেলানোর জন্য কিছুই করেন না। উনি যা করেন সবসময় ভালোর জন্য করেন না। আবার যখন তোমার প্রতি দিতিয়া ভাবির ভালোবাসা আর ধৈর্য দেখি তখন মনে হয় তোমার ভালোবাসা পাওয়ার অযোগ্য হওয়ার মতো কোনো পাপ তো ও করেনি। ওকে আল্লাহ এভাবে বঞ্চিত করবে কেন? যা হয়েছে তাতে তো ওর করার কিছুই ছিল না। বিয়ের মতো এত পবিত্র একটা বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার পরেও কেন ও এতটা কষ্ট পাবে?”

“সবাই ওদের দুজনের কথা ভাবে, কেউ আমার কথা ভাবে না। আমিও তো একটা মানুষ নাকি?”

“ভুল বললে দাদা, তোমার কথাও ভেবেছি। জানি তোমার কষ্টটাও ওদের দুজনের চেয়ে কম না। আল্লাহ যে কেন তোমাদের তিনজনকে এরকম পরিস্থিতির সামনে এনে ফেলেছেন তা তিনিই শুধু জানেন।”

“কাল তোদের ক্লাস আছে?”

“আছে, কিন্তু মানসী এখন নিয়মিত ক্লাসে আসে না। আজ ক্লাসে আসেনি। কাল আসবে কিনা বুঝতে পারছি না।”

“আচ্ছা, যদি আসে তো ওকে বলবি যে আমার আর দিতিয়ার ডিভোর্সের সবকিছু রেডি। জাস্ট আমাদের বিয়ের ১ বছরের আগে ডিভোর্স সম্ভব না। ১ বছর হতে আরো ৫ মাস বাকি। ৫ মাস পর আমাদের ডিভোর্স হয়ে যাবে।

অনন্যা অবাক হয়ে চেয়ে রইল। আমি কিছু বললাম না। ও একটু পর বলল,

“দাদা, তাহলে ভাবির কী হবে?”

“ওকে আমি সব খরচ দেব। ও বলেছে একটা চাকরি জোগাড় করে দিতে, সেটাও দেব। আর আমি যেকোনো দরকারে ওর পাশে থাকব।”

“তার মানে ভাবি জানে সব? ও রাজি?”

“হ্যাঁ, রাজি।”

“আমি হলে জীবনেও রাজি হতাম না। নিজের স্বামীর দাবি এভাবে ছেড়ে দেয়া অত সোজা না।”

“তুই মানসীকে কথাটা জানিয়ে দিস প্লিজ।”

“ঠিক আছে।”

আর কোনো কথা বললাম না। এখন অনন্যাও আমাকে স্বার্থপর ভাবছে। ভাবুক আমি তো স্বার্থপরই। মানসীর জন্য সারা পৃথিবীর কাছেও খারাপ হতে আপত্তি নেই আমার

বাসায় ফিরতে ফিরতে ১টা বেজে গেল। ফিরে যে যার মতো শুয়ে পড়ল। আমি একটা সিগারেট ধরিয়ে বারান্দায় বসে রইলাম। হাজার রকমের ভাবনা কেমন যেন গোলমাল পাকিয়ে যাচ্ছে মাথার মধ্যে। দিতিয়া এসে দরজায় দাঁড়াল। জিজ্ঞেস করলাম,

“কিছু বলবে?”

“ঘুমাবে না? তোমার তো সকালে উঠতে হয়।”

“তুমি ঘুমিয়ে পড়ো। আমাকে নিয়ে ভাবতে হবে না। আমার দেরি হবে। “আমি কিছুক্ষণ তোমার পাশে বসি?”

“না।”

“ও, ঠিক আছে।”

দিতিয়া ঘরে চলে গেল। বোধহয় মন খারাপ হলো ওর। কিন্তু আমার কিছুই করার নেই। সন্ধ্যাবেলা ঘরে ঢুকে যে দৃশ্য দেখেছি তা এখনো চোখের সামনে ভাসছে…এখন ওর পাশে গিয়ে শোবার সাহস আমার নেই। কখন যে নিজের ওপর কন্ট্রোল হারিয়ে অন্য সব পুরুষের মতো হয়ে উঠব তা আমি নিজেও জানি না। সৌন্দর্য কেবল চোখে নেশা ধরাতে পারে, মনে নেশা ধরাতে পারে না।
·
·
·
চলবে.........................................................................

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

WhatsApp