ভাঙা আয়নার আলো - পর্ব ০৩ - শারমিন আক্তার সাথী - ধারাবাহিক গল্প

ভাঙা আয়নার আলো - শারমিন আক্তার সাথী
ইরফান উন্মুখ হয়ে অপেক্ষা করছে সিনথিয়ার আসার। মনে মনে ভাবল,
'প্রথম বারেই তো আর বিছানায় নেওয়া সম্ভব না। প্রথমে কয়েকটা ধাপে কাজ করতে হবে। মেয়ে পটানোতে আমার চেয়ে দক্ষ কে আছে! এমন করেই তো জবাকে ফাঁদে ফেলেছিলাম। নয়তো ওর মতো কোটিপতির মেয়ে আমার মতো নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলেকে জীবনে বিয়ে করত না।'

তখন জবা কেবল ভার্সিটিতে ক্লাস করা শুরু করেছিল। আর ইরফান! তখন ভার্সিটির বেশ পরিচিত সিনিয়র ভাই। ইরফানের অতি সুদর্শন চেহারা, মিশুক চাল চলন, আত্মবিশ্বাসী হাসি, অসাধারণ গানের গলা আর অদ্ভুত এক ব্যক্তিত্বে চারপাশের মানুষকে সহজেই বশ করে রাখত ও। বিশেষ করে মেয়েদের।

বাইরের সুদর্শন ইরফানকে সবাই চিনলেও, ভিতরের কুৎসিত ইরফানকে কেউ চিনত না। সবার কাছে নিজের এমন প্রতিচ্ছবি তৈরি করেছিল ও। 

জবাকে প্রথম দেখেই হিসাব কষে ফেলেছিল ইরফান।
জবা চৌধুরী। জয়নুল আবেদিন চৌধুরীর একমাত্র মেয়ে। কোটি কোটি টাকার উত্তরাধিকারী। ইরফান মনে মনে ভেবেই নিয়েছিল। জবাকে ও প্রেমিকা রূপে নয় বরং স্ত্রী হিসাবে গ্রহণ করবে। জবাকে ওর বাবার টাকার লোভে অনেকেই টার্গেট করেছিল। তবে সবাইকে টপকে ইরফান জিতে নিয়েছিল জবাকে।

প্রেম নয়। জবাকে সে চেয়েছিল ভবিষ্যৎ হিসেবে। ক্ষমতা হিসেবে। টাকা হিসেবে।

—————

সেদিন হেমন্তের হালকা কুয়াভেজা সকাল ছিল। জবা ভার্সিটির এক কোণে বসে বই পড়ছিল। ঠিক তার পাশেই বন্ধুবান্ধব নিয়ে গানের আসর বসিয়েছিল ইরফান।

আমি তোমার মাঝে গেঁথেছি আমার প্রাণ।
নিঃশব্দ রাতের মতো অগোচর টান।
চোখের ভাষায় লিখেছি যে গান,
তুমি কি শুনতে পাও তারই অবিরাম?

তোমার হাসিতে রোদেলা সকাল,
তোমার নীরবে ঝরে নীল বিকাল।
স্পর্শ না ছুঁয়েও কত যে অনুভব,
তোমার ছায়াতেই খুঁজি আমার সব।

আমি তোমার মাঝে গেঁথেছি আমার প্রাণ।
ভাঙা স্বপ্নে তুমিই আমার জ্ঞান।
ঝড় এলে পাশে থেকো অবিচল,
তোমার হাতেই আমার সব পথচল।

যদি কখনো হারাও অজানায়
আমার নামটি রেখো হৃদয়ের মনিকোঠায়।
তোমার মাঝেই বাঁচার টান।
আমি তোমার মাঝে গেঁথেছি আমার প্রাণ।

জবা বইয়ের পানে তাকিয়ে থাকলেও মুগ্ধ হয়ে শুনছিল ইরফানের গাওয়া গান। এত দরদ আর মায়া দিয়ে কেউ গান গাইতে পারে, তা জবার জানা ছিল না। গানের মায়ায়, গিটারের টুংটাং শব্দে জবার চোখ ফেটে কান্না আসল।

মনে হলো সব থেকেও কী যেন নেই ওর জীবনে। কি যেন অসম্পূর্ণতায় ঘেরা ওর জীবন। এক অপূর্নতা তীব্রভাবে পূর্ণতা পাওয়ার জন্য ছটফট করছে। মনের ভিতর ভালোবাসা নামক পাখিটা খাঁচা থেকে বের হওয়ার জন্য ছটফট করছে। অথচ কোনো অভাব নেই জবার জীবনে। তবুও যেন কিসের অভাব ওকে কষ্টে ডুবিয়ে ফেলছে। সে কষ্টের নাম হয়তো জবা জানে। তবুও না জানার ভুলে থাকার কী আপ্রাণ চেষ্টা! চোখ জ্বালা করছে ওর। কান্না চলে এলো।

জবা হুট করে উঠে দাঁড়াল৷ ইরফানের কাছে গিয়ে বলল,
'আজকের পর গান গাইলে আপনার গিটার আমি ভেঙে ফেলব।'

ইরফান সহ ওর বন্ধুরা বেশ অবাক হয়ে তাকিয়ে রইল জবার পানে।

জবা একটুও না থেমে ইরফানের হাত থেকে গিটারটা নিয়ে তার ছিঁড়তে গেল।
তার ছিঁড়ল না। বরং ধারালো স্ট্রিংয়ে জবার হাত কেটে গলগল করে রক্ত বের হতে লাগল।
মুহূর্তে চারপাশ নিস্তব্ধ।

ইরফান শীতল চোখে কিছুক্ষণ জবার পানে তাকিয়ে রইল৷ তারপর ধীরে ওর হাতটা নিজের হাতে তুলে নিল। জবার হাত ধরে গিটারটা নিয়ে পাশে রাখল৷ জবার কাটা আঙুলে নিজের রুমাল পেঁচিয়ে বলল,
'গিটারের তার কাটবে বললেই হতো। আমি নিজেই কেটে দিতাম। শুধু হাত কাটতে গেলেন কেন?'
তারপর মৃদু হেসে বলল,
'আজ ভাত খাবেন কী করে?'

এই সামান্য যত্নেই জবা নিজেকে হারিয়ে ফেলেছিল। কখন, কীভাবে সে নিজেও জানে না। এতটুকুতেই জবা নিজেকে ইরফানের করে দিয়েছিল এ জীবনের জন্য। জবা নিজেও বুঝতে পারল না ওর ভিতরের পরিবর্তন। ও কেবল ব্যাকুল হয়ে পড়ল।

সবসময় ব্যাকুল, অস্থির হয়ে থাকত। যেন কিছু নেই জীবনে। ইরফানকে এক নজর দেখার জন্য ওর চোখ ছটফট করত৷ কিন্তু ইরফান সবসময় ওকে এড়িয়ে চলত। দেখেও অদেখা করত। যেন জবার কোনো অস্তিত্বই নেই৷ এই এড়িয়ে চলা জবার হৃদয়কে রোজ হাজার বার টুকরো টুকরো করত।

এভাবেই ছটফটানিতে প্রথম বর্ষ, দ্বিতীয় বর্ষ শেষ হলো। ইরফানের চতুর্থ বর্ষের পরীক্ষাও কদিন পর। তারপর আর ইরফান ভার্সিটিতে আসবে না। জবা ভাবল ওর মনের কথা বলবে।

জবা প্রায়ই ইরফানের কাছে যেত কথা বলতে, কিন্তু ইরফান যেন ওকে পাত্তাই দিত না। আজ জবা ইরফানের কাছে গিয়ে বলল,
'কী করছেন ইরফান ভাই?'

ইরফান গম্ভীর মুখে জবাব দিল।
'নাসার রকেটে বসে আছি। এখনই পাছায় আগুন দিয়ে সে রকেট আকাশে উড়িয়ে দেওয়া হবে।'

ইরফানের বন্ধু মহলে হাসির হিরিক পড়ে গেল। জবা লজ্জিত মুখে তাকিয়ে রইল। অপমানিত হলেও চুপ করে দাঁড়িয়ে রইল ইরফান ওর দিকে খানিকটা ঝুঁকে এসে বলল,
'এই মেয়ে সবসময় আমার আগে পিছে থাকো কেন? ডু ইউ লাইক মি?'

জবাকে দেখতে অনেকটা ভীতু টাইপের মেয়ে মনে হলেও, প্রচণ্ড সাহসী ও। তবে ওর মনের সাহস চেহারায় প্রকাশ পায় না৷ ঐ যে একরকম লোক আছে না যাদের চেহারা দেখে তাদের ভিতরের কথা ধরা যায় না। জবা তেমন ধারার মানুষ। ইরফানের প্রশ্ন শুনে জবা দৃঢ় কণ্ঠে বলল,
'নো।'

কথাটা শুনে ইরফান খানিক মর্মাহত হলো। মুহুর্তেই ওর চোখে মুখে বিষন্নতা ফুটে উঠল। পরমুহূর্তেই জবা বলল,
'আই ডোন্ট জাস্ট লাইক ইউ, আই লাভ ইউ।'

জবার এমন সাহসী উত্তরে সবাই বেশ অবাক হলো৷ একটা মেয়ে এতগুলো ছেলের সামনে অবলীলায় নিজের ভালোবাসার কথা বলছে। অথচ তার চোখে মুখে কোনো ভয় নেই। বরং ভালোবাসাকে নিজের করে নেওয়ার দৃঢ় প্রত্যয়। 

জবার কথা শুনে ওর ভাবভঙ্গি দেখে ইরফান মুচকি হাসল। ওর চোখে মুখে যুদ্ধে জয় লাভ করার উচ্ছ্বাস ঝরে পড়ছে। শিকার জালে আটকে পড়ার আনন্দ বহু কষ্টে চেহারায় ফিটে ওঠা থেকে আটকালো। বলল,
'আমায় ভালোবাসার কারণ?'
'জানি না। অনেক কারণ। আবার কোনো কারণ নেই। প্রথমত আপনি দারুণ গান গান। আপনার গান আমার ভিতর পর্যন্ত নাড়িয়ে দেয়। দ্বিতীয়ত আপনি দেখতে চমৎকার। তৃতীয় আমি জানি না আপনাকে কেন ভালোবাসলাম? শুধু দুটো কারণে ভালোবাসা সম্ভব নয়। আমার মন কোনো কারণ ছাড়াই আপনার হয়ে গেছে। তো আমার মন যা চায় আমি তা-ই করি। আমি আমার মনকে বুঝাই না, বারণ করি না, তাকে মিথ্যা আশা দেই না। সে যেমন চলতে চায়, আমি তেমন চলতে দি তাকে।'

ইরফান এবারও বাঁকা হাসল৷ পকেট থেকে সিগারেটের প্যাকেট বের করে ঠোঁটে নিলো। দিয়াশলাই দিয়ে আগুন ধরাতেই যাবে ওমনি জবা ওর হাত থেকে সিগারেট টেনে ফেলে দিল। তারপর বলল,
'আজ প্রথম এবং শেষবার বলছি এরপর যেন কোনোদিন সিগারেট খেতে না দেখি।'

কথাটা বলে জবা হনহন করে চলে গেল। ইরফান আবারও মুচকি হাসল। মনে মনে বলল,
'মেয়েদের কিভাবে নিজের আয়াত্তে আনতে হয় তা আমি ভালো করে জানি।'

কয়েকদিন পর,
দিনের দ্বিপ্রহরে ভার্সিটির পুকুর পাড়ে পাকা বেঞ্চে একা বসে ছিল ইরফান। আজ শুক্রবার ভার্সিটি বন্ধ। তেমন লোক নেই। কেবল বেশ কিছু শিক্ষার্থী টিউশন পড়তে এসেছে। ইরফান তেমন টিউশন পড়তে এসেছে। পড়া শেষে পুকুরপাড়ে এসে বসে একমনে পুকুরের পানির দিকে তাকিয়ে ছিল। পুকুরে পানি স্বচ্ছ৷ বর্ষা কাল শেষ হলেও পুকুর পানিতে ভর্তি। এ পুকুরের গভীরতা অনেক। সাতার না জানা কেউ পড়ে গেলে বাঁচা মুশকিল। পুকুরের চারপাশে বেশ বড়ো বড়ো গাছ।
সব মিলিয়ে মনোরম এক পরিবেশ। মুগ্ধতায় চোখ বন্ধ হয়ে আসতে চাইছে।

ইরফানের কাঁধে কলেজের সাইড ব্যাগ। পরণে সাদা চেক শার্ট আর জিন্স। তার ঠিক অপর পাশের পাকা বেঞ্চে এসে বসল জবা। জবার উপস্থিতি বুঝতে পেরে ওর দিকে তাকাল ইরফান। জবার পরনে কালো রঙের থ্রি পিচ। খোলা চুল মৃদু বাতাসে উড়ছে। কপালে ছোট্ট কালো টিপ। চোখে মুগ্ধতা। মুগ্ধ নয়নে ও ইরফানের দিকে তাকিয়ে ছিল।

এই সাধারণ চেহারার জবার মুগ্ধ চোখের দিকে তাকিয়ে ইরফানের মনটা কেমন নড়ে উঠল। যেন ভিতরে একটা ঝড় শুরু হলো। কিছু অজানা অনুভূতির জন্ম হলো। যে অনুভূতি নামহীন, বর্ননা হীন৷ তবে ইরফান নিজ মনে তৈরি হওয়া অনুভূতিকে সম্পূর্ণ অগ্রাহ্য করে জবার দিকে তীক্ষ্ণ চোখে তাকাল।

ওর তির্যক চাহনী দেখে জবা ওর পাশে গিয়ে বসে বলল,
'কী ভাবলেন?'
'কোন বিষয়ে?'
'আমার ভালোবাসা গ্রহণ করার বিষয়ে।'
'জবা, শোনো আমার মনটা ভীষণ খারাপ। তোমার হেয়ালী কথা শোনার মুড নেই।'
জবা স্থির চোখে তাকিয়ে বলল,
'আপনার ধারণা আমি হেয়ালী করছি?'
'অফ কোর্স। তোমার মতো ধনীর দুলালী আমার মতো নিম্নমধ্যবিত্তকে ভালোবাসতে যাবে কোন দুঃখে?'
'ভালোবাসা কবে থেকে ধনদৌলত দেখা শুরু করল?'
ইরফান এবার কড়া গলায় বলল,
'শাট আপ জবা। এটা ফ্লিম নয়। তাই ডায়লগবাজী করবে না। এখানে অবস্থান ভেদে ভালোবাসতে হয়। আর আমাদের দুজনের অবস্থান এমন, যে একে অপরের সাথে কথা বলাও শোভা পায় না। প্রেম ভালোবাসা বিয়ে তো দূরের কথা। সো নিজের রাস্তা মাপো৷ আমার মতো নিম্নবিত্ত ছেলের সাথে গেইম খেলা বন্ধ করো। আমি তোমার বাবার কেনা পাপেট না যে যতক্ষণ মন চাইল তুমি খেললে, খেলা শেষে ছুড়ে ফেলে দিলে। আমার তোমার সম্পর্ক করুণা ব্যতিত আর কিছুর হতে পারে না।'

ইরফানের কথাগুলো জবার গায়ে খুব লাগল। ও ইরফানের হাত শক্ত করে ধরে বলল,
'চলুন।'
'কোথায়?'
'কাজি অফিসে।'
'মানে...?'
'আজ এখনি আমরা বিয়ে করব। আপনার বন্ধুদের খবর দিন।'
'আর ইউ আউট অফ ইউর মাইন্ড?'
'নো। আই অ্যাম সিরিয়াস। চলুন আমার সাথে।'
'নো নেভার।'

জবা ইরফানের কলার টেনে ধরল। চোখে উন্মাদনা। তীর্যক কণ্ঠে বলল,
'আপনি আমাকে চিনেন না। আমি যা চাই তা নিজের করেই শান্ত হই। আপনাকে আমার চাই। আজ যদি আপনি আমাকে বিয়ে না করেন আমি আত্মহননের পথ বেঁছে নিব।'
'যা খুশি করো। বিয়ে কি ছেলেখেলা? তুমি বললে আর আমি নাচতে নাচতে তোমায় বিয়ে করব।'
'শেষ বার জিজ্ঞেস করছি বিয়ে করবেন না আমাকে?'
ইরফান শক্ত গলায় বলল,
'না।'
'আমি সাতার জানি না।'
'তো?'

জবা ভরা পুকুরে লাফ দিলো। ব্যাপারটা প্রথমে ইরফান মজা ভেবে মিনিট খানিক পুকুর পাড়ে দাঁড়িয়ে স্থির চোখে তাকিয়ে ছিল। যখন দেখল জবা মাথা তুলছে না পরোক্ষণে ব্যাগ ছুঁড়ে পুকুরে ঝাঁপ দিল ইরফান৷ কয়েক মিনিট হন্যে হয়ে জবাকে খুঁজল। ততক্ষণে কয়েকটা ছেলে মেয়ে জড়ো হয়েছে সেখানে। পাগলের মতো খুঁজতে খুঁজতে ইরফান যখন উপরে তাকাল। দেখল জবা ভিজে চুবোচুবো হয়ে সিড়িতে বসে আছে। ঠোঁটে দুষ্টু হাসি। ইরফানের দিকে তাকিয়ে বলল,
'স্কুলে সুইমিং চ্যাম্পিয়ন ছিলাম জনাব। উঠে আসুন।'

ইরফান রাগে থরথর করে কাঁপতে লাগল। মন চাইছে থাপড়ে জবার দাঁত ফেলে দিবে। উপড়ে উঠতেও লাগল ওকে থাপ্পড় মারার চিন্তা নিয়ে। কিন্তু জবার কাছে আসতেই জবা ভিজে শরীরে জড়িয়ে ধরল ইরফানকে। মুহুর্তেই ওর সকল রাগ পানির সাথে বহিত হয়ে গেল ও। 

সেদিন সন্ধ্যাতেই ওরা বিয়ে করল। বিয়ের পর প্রথমে জবার বাবা মানতে না চাইলেও কিছুদিনেই ইরফান তার মনও জয় করে নিলো। ইরফানের পরিবার বলতে ও মা কেবল৷ তাকে নিয়ে একসাথে জবার বাড়িতে থাকা শুরু করল। ধীরে ধীরে জয়নুল আবেদিন তার সকল ব্যবসায়ের পাওয়ার ইরফানের হাতে দিয়ে দিলেন। ইরফান মধু হয়ে তাদের মাঝে ঢুকেছে বিষ হয়ে সবাইকে ধ্বংস করে বের হওয়ার জন্য।

—————

কিছুক্ষণ পরই সিনথিয়া এলো। নিচে নেমে ওকে দেখে বেশ খুশিই হয়েছিল ইরফান।
কিন্তু পরমুহূর্তেই সেই হাসি মিলিয়ে গেল।
কারণ সিনথিয়ার পাশে দাঁড়িয়ে আছে জবা।
মুহূর্তেই ইরফানের সমস্ত উচ্ছ্বাসে ঠান্ডা পানি পড়ে গেল।
জবা ধীর পায়ে এগিয়ে এসে বলল,
'তুমি সিনথিয়াকে ফোন করে আসতে নিষেধ করোনি?'
·
·
·
চলবে……………………………………………………

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

WhatsApp